ফেমিনিজম
পশ্চিমা মিডিয়া ও ইন্টারটেইনমেন্ট সেক্টর পশ্চিমা নারীদের যে স্বাধীনতা দিয়েছে তা ওয়েস্টার্ন ফেমিনিজমের ভাষায় স্বাধীনতা। বলিউড, টালিউড, ঢালিউড যেভাবে হিরোইনদের উপস্থাপন করে তা নারীর ক্ষমতায়ন ও স্বাধীনতা। আর ইসলাম মেয়েদের যে নিয়মে আবদ্ধ করেছে তা ওয়েস্টার্ন ফেমিনিজমের ভাষায় পরাধীনতা। ওয়েস্টার্ন ফেমিনিজম ও ইসলামিক ফেমিনিজমের দর্শন একে অপরের সাংর্ঘষিক। যদিও ধর্মে নিরপেক্ষ তবুও ইসলামের সৌন্দর্য সবসময় মুগ্ধ করে। ইসলামকে যতই বুঝার চেষ্টা করছি ততই এর গভীরে ঠুকে সত্য খোঁজার চেষ্টা করছি। ইরানের মাশা আমানির কথা মনে পড়ে। জোর করে ইরান সরকার হিজাব পড়াতে বাধ্য করায় মেয়েটিকে পুলিশের হাতে নিহত হতে হয়,আর পশ্চিমারা সুযোগ পেয়েছিল নাক গলানোর ইরানের ইস্যুতে। যেখানে ইসলাম জোরকরণ কথাটিকে এমনভাবে বলেনি যে একটি মেয়ের মন থেকে ইসলামের বিরুদ্ধে বিপরীত প্রতিক্রিয়া জন্মাবে। মনকে কিভাবে দাওয়াহ্ এর সৌন্দর্য দিয়ে আকৃষ্ট করা যায় সেই কৌশল প্রয়োগ না করে জোরজবরদস্তি কোনো সমাধান না,ইসলাম এমন কঠোর হতে বলে নি। আরব রাষ্ট্রগুলোতে বেলি ডেন্স, বারে মেয়েদের নাচ যদি উপভোগ্য বিষয় হয় তাহলে ইসলামের সৌন্দর্য সেখানে প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
পবিত্র কুরআনের সূরা নাহলে আছে
"তুমি তোমার প্রভুর পথে আহ্বান করো জ্ঞান ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে, সুন্দর উপদেশ দিয়ে।" (সূরা নাহল ১৬:১২৫)
আইন, ফতেহ, জোরকরণ করে ইসলামের পথে অবাধ্য মনকে আনা সম্ভব নয় যদি না জ্ঞান ও প্রজ্ঞা সুন্দর উপদেশ দিয়ে অবাধ্য মনকে প্রলুব্ধ করা যায়।
একজন মুসলিম হওয়া ও এর সৌন্দর্য ধরে রাখা সহজ বিষয় নয়। জ্ঞান ও প্রজ্ঞার মিশেলে একটি সুন্দর মনই পারে অপর একটি অবাধ্য মনকে স্রষ্টার বশে আনতে।