ভূমিকম্প গবেষণার মডেল
সমাজে একটি ইস্যু সৃষ্টি হয়, আর একাডেমিক গবেষকরা সেটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। সম্প্রতি একটি ৫.১ মাত্রার রিকটার স্কেলের ভূমিকম্প ঘটেছে। গবেষণার কাঠামো নির্ধারণের জন্য প্রশ্নগুলো হতে পারে: কেন ভূমিকম্প হয়েছে? কোথা থেকে এর সূত্রপাত? টেকটোনিক প্লেট কতটুকু সরে গেছে? মাটির নমুনা কেমন? কতজন আহত বা নিহত হয়েছে? কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে? এই প্রশ্নগুলোর ভিত্তিতেই একজন গবেষক তার গবেষণাপত্র লিখবেন। ১. সমস্যা চিহ্নিতকরণ: সমাজে ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। গবেষক কেন এটিকে গবেষণার বিষয় হিসেবে বেছে নিলেন? এই ধাপ গবেষণার লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে। গবেষণার লক্ষ্য হলো ভূমিকম্পের কারণ এবং এর প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা। ২. গবেষণার প্রশ্ন নির্ধারণ: গবেষক প্রশ্নগুলো নির্বাচন করবেন: কেন ভূমিকম্প হলো, কোথা থেকে এর সূত্রপাত, টেকটোনিক প্লেট কতটুকু সরে গেছে, মাটির বৈশিষ্ট্য কেমন, কতজন আহত ও নিহত হয়েছে, এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত। ৩. রিসার্চ মেথড নির্বাচন: প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর পেতে গবেষক ডাটা কালেকশন এবং এনালাইসিসের পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। উদাহরণস্বরূপ, ভূমিকম্পের রেকর্ড, রিকটার স্কেলের মাত্রা এবং টেকটোনিক ...