Posts

Showing posts from March 27, 2026

Religion

 হযরত উমর রা একসময় নবী সা কে হত্যা করতে তরবারি নিয়ে বের হন, কিন্তু কুরআনের আয়াত শুনে তার হৃদয় পরিবর্তিত হয় এবং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। আস্তিকতা ও নাস্তিকতার পার্থক্য সবচেয়ে ভালো বোঝেন তারা, যারা এই মহান মনীষীদের মতো নাস্তিকতা থেকে আস্তিকতার পথে ধাবিত হন। তারা উপলব্ধি করেন যে তারা অসীম জ্ঞানের ধারক, এক ঈশ্বরবাদী খোদার উপাসক। জ্ঞানের তৃষ্ণা তাদের নবী করিম সা থেকে ইবনে সিনা, ইবনে হাইয়ান, ইবনে রাজী, ওমর খৈয়াম ও ড. জাকির নায়েকের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে প্রেরণা দেয়। যদি এমন মানুষকে কোনো স্ন্যাক আইল্যান্ডে ছেড়ে দেওয়া হয়, তারা হয়তো বিমোহিত হবেন স্রষ্টার সৃষ্টির বৈচিত্র্য দেখে, কিন্তু ভীত হবেন না কারণ তাদের জ্ঞানের তৃষ্ণা ও ঈশ্বরপ্রেমই তাদের অটল রাখে।

ইসলামী বিধান বনাম রাষ্ট্রীয় আইনের ফাঁক ও মুসলিমদের পশ্চিমা দাসত্ব সংস্কৃতি"

 "ইসলামী বিধান বনাম রাষ্ট্রীয় আইনের ফাঁক ও মুসলিমদের পশ্চিমা দাসত্ব সংস্কৃতি" ইরানের মাশা আমানির কথা হয়তো অনেকের মনে আছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে ঘটা ঘটনাটি পুরো বিশ্বে আলোড়ন তুলেছিল। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সময় এ ঘটনা ঘটেছিল। ইরানে নারীদের কপাল ও শরীরের অংশ ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক; কিন্তু মেয়েটি তা করেনি, এবং পুলিশ তাকে "হিজাব শিক্ষা ক্লাস"-এর কথা বলে গ্রেফতার করে মারধর করে। পরবর্তীতে সে মৃত্যুবরণ করে। ইসলাম কি বলে–বাধ্যতামূলকভাবে কি কাউকে ধর্মের দিকে আকৃষ্ট করা যায়? পবিত্র কুরআন কি বলে? আসুন দেখি।  সূরা বাকারার ২:২৫৬ আয়াতে বলা হয়েছে: "ধর্মে কোনো জোর বা বাধ্যবাধকতা নেই; সত্যতা স্পষ্টভাবে মিথ্যা থেকে আলাদা। যে বিশ্বাস করে এবং ন্যায়পথে চলে, সে সঠিক পথে আছে।" ধর্মে কোনো জোর বা বাধ্যবাধকতা নেই।  ইসলামের মূলনীতি বলছে বাধ্যবাধকতা নেই; কিন্তু ইরানের রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী নারীদের হিজাব বাধ্যতামূলক। এখানেই স্পষ্ট–পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ইসলামের মূলনীতি অবহেলিত। আসুন দেখি সূরা কাহফের ১৮:২৯ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা কি বলেছেন: "বলুন, 'সত্য আসে আল...