Posts

Showing posts from November 2, 2025

একাডেমিক রাইটিংয়ে AI লেক্সিক্যাল কনভার্জেন্সের প্রভাব

 একাডেমিক রাইটিংয়ে AI লেক্সিক্যাল কনভার্জেন্সের প্রভাব ২০২২ সালের ডিসেম্বরে যখন চ্যাটজিপিটি লঞ্চ করে, তখন থেকে কিছু শব্দগুচ্ছ যেমন interwoven, intertwine, instill, underscore, intricate, interplay, notion, paradigm, domain, trajectory, realm, contextualization, lens, spectrum, encapsulate, redefine, transcend, rooted in, stem from, inclusive, reconfiguration এর ব্যবহার একাডেমিক রাইটিংয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভাষাবিজ্ঞানীদের ভাষায় এই প্রবণতাকে AI-Induced Lexical Convergence বলা হয়। AI-এর প্রভাবে গবেষকদের শব্দচয়নে যে মিল লক্ষ্য করা যায়, সেই ধারণাটিই বোঝানো হয়। কিভাবে ইংরেজি ভাষার প্রয়োগিক দিক AI-এর প্রভাবে আরও পরিমার্জিত হচ্ছে, এবং গবেষকদের গবেষণাপত্রে কেন এই শব্দভাণ্ডারগুলোর ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূলত ভাষাবিজ্ঞান, ডিজিটাল রেটরিক্স এবং প্রযুক্তি গবেষকদের গবেষণাপত্রে এ ধরনের শব্দভাণ্ডার ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেছে। ©দ্বীন সাঈদীন

The Role of Media in Building Patriotic Narratives

  The Role of Media in Building Patriotic Narratives Media plays a vital role in shaping people’s understanding and perception. During my childhood, I used to hear a patriotic song: "প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার, মরণ বাংলাদেশ." At that time, the BNP was in power. Broadcast media like TV and radio frequently played this song. Hearing it repeatedly created a sense of patriotism in me that subconsciously shaped my mind. The song seemed to evoke the spirit of the Independence War of 1971. Later, during the Awami League regime, two songs—"যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই" and "নোঙর তোল তোল, সময় যে হল হল"—were frequently broadcast. These songs generated the same patriotic emotions in me as the earlier one did. Through such songs, the Awami League used broadcast media to shape Bangabandhu as an inseparable part of the Independence War of 1971 in our collective consciousness. Media captures our psychology in the name of patriotism,...

পরিবেশ ও ক্ষমতার অন্তঃ দ্বন্দ

 পরিবেশ ও ক্ষমতার অন্তঃ দ্বন্দ  দেশীয় নদীগুলো ধ্বংস হচ্ছে বিগত সরকারের আমল থেকে তা চলমান বর্তমান সরকার পর্যন্ত। ড্রেসিং এর মাধ্যমে বালু উত্তোলন,নদী ভরাট করে কাঠামোগত উন্নয়ন ভিত্তিক অসাধু রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ব্যবসা বিগত সরকারের আমল থেকে চলে আসছে,নদী হারাচ্ছে তার নাব্যতা ও নদীভিত্তিক ইকোসিস্টেম ধ্বংস হবার কারণে মাছ বিলুপ্ত হচ্ছে যার প্রভাব পড়ছে নদীকে কেন্দ্র করে যেসব জনগোষ্ঠীর জীবিকার গতিপথ, আমিষে ঘাটতি মানুষের। একসময় জিয়াউর রহমান খাল খনন করে বন্যা ও খরা থেকে দেশকে বাঁচাতে ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনয়নে যে যুগোপযোগী উদ্যোগের বাস্তবায়ন করেছিলেন তা যদি বি এন পি ক্ষমতায় এসে খালগুলোর পুনঃখনন,নদীর নাব্যতা,নদীর অবৈধ দখল বন্ধকরণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে মনোযোগ দিতেন,জনগন হয়তো পচাত্তরের পরবর্তী সময়ের সুফল ভোগ করতেন। দুঃখজনক যে ইউনুস সরকারের আমলে পলিথিন নিষিদ্ধকরণের প্রায়োগিক বাস্তবায়ন হয়নি,সেন্ট মার্টিন নিয়েও চলছে নানা ভূ-রাজনীতি।দীর্ঘ একবছর অতিক্রান্ত হলেও অন্তবর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা খাল-নদী ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশ্নবিদ্ধ। আসন্ন নির্বাচন যদি বি এন পি জয়ী হয়, আশা করা যাচ্ছে জিয়াউর রহমা...