"ইসলামী এসকেটোলজি অনুযায়ী বিশ্বকথন"
"ইসলামী এসকেটোলজি অনুযায়ী বিশ্বকথন" ইসলামী এসকেটোলজিতে বলা হয়েছে, শেষকালে একটি ওয়ান ওয়ার্ল্ড অর্ডার প্রতিষ্ঠিত হবে, যার ফলে বিশ্বব্যাপী একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তি উদ্ভূত হবে। কিছু সমালোচক মনে করেন, এই শক্তির উৎস ইসরায়েল হতে পারে, এবং তখন বিশ্বব্যবস্থায় ইসরায়েলের একক আধিপত্য থাকবে। এরপর মালহামা বা বিশাল যুদ্ধ সংঘটিত হবে, যা বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর যুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত। এই যুদ্ধ প্রধানত মধ্যপ্রাচ্য ও কিছু এশিয়ান দেশে সংঘটিত হবে, বিশেষ করে মিশর, ফিলিস্তিন, লেবানন, সিরিয়া, ইরান, ইরাক, ইসরায়েল এবং আরবিয়ান পেনিনসুলার দেশসমূহ যেমন সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, ইয়েমেন, এবং সম্ভাব্য অন্যান্য এশিয়ান দেশ। এরপর ইমাম মাহদী আরবিয়ান পেনিনসুলা থেকে আগমন করবেন। তিনি মালহামার ভয়াবহ যুদ্ধে মুসলিমদের নেতৃত্ব দেবেন এবং মুসলিমদের মধ্যে স্থিতিশীলতা ও শান্তি ফিরিয়ে আনবেন। ইসলামী এসকেটোলজি অনুযায়ী, তখন বিশ্বব্যাপী মুসলিম আধিপত্য বিস্তৃত হবে। একই সময়ে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। তখন ঈসা নবী পৃথিবীতে আসবেন, এবং ইমাম মাহদী ও ঈসা নবী সম্মিলিতভাবে দাজ্জালকে ...