Posts

Showing posts from February 22, 2026

উন্নয়নের মডেল : হাইব্রিড নাকি স্বতন্ত্র

 উন্নয়নের মডেল : হাইব্রিড নাকি স্বতন্ত্র দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কেন যেন ব্যাপক আগ্রহ কাজ করে। জাপানের মতো দেশ নিজ মাতৃভাষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সকল ক্ষেত্রে দেশীয় মাতৃভাষাকে অগ্রাধিকার দেয়। জাপানের আত্নমর্যাদা ও স্বজাত্যবোধ প্রবল বলেই ব্যবসা বাণিজ্য, গবেষণা, প্রযুক্তি, সকল ক্ষেত্রেই জাপানি ভাষার অগ্রাধিকার ইংরেজিতে বিকল্প রেখে। আর আমাদের দেশে তৃতীয় ভাষা শেখার জোড় দেয়া হয়।  তৃতীয় ভাষা সেই দেশের ভাষাকেই টার্গেট করছে যে দেশ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। হয়তো তা চীনা ভাষাই হতে চলেছে। নয়তো কোরিয়া। বাংলাদেশ সেই ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে টার্গেট করবে যে ভাষা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বা বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থায় ইংরেজির পর তৃতীয় অবস্থানে আছে।দেশ হয়তো টার্গেট করছে এমন একটি ভাষা শেখার গুরুত্বারোপ যা দক্ষ জনবল রপ্তানিতে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে ভূমিকা রাখবে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগে ভূমিকা রাখবে। ইরান যেখানে নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করে, চীন যেখানে এ আই আপগ্রেড ও লন্স করে বৈশ্বিক প্রযুক্তিতে পশ্চিমাদের মতো নিজস্বতা বজায় রাখে সেখ...

ভাষা শিক্ষা বনাম দক্ষতার ভিত্তি

  মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী তিনটি ভাষা শেখার ওপর জোর দিচ্ছেন। কিন্তু যেখানে বাংলা ও ইংরেজি সঠিকভাবে রপ্ত করার এবং সমদক্ষতা অর্জনের পথে যে অন্তরায় রয়েছে, তা লাঘব না করে তৃতীয় একটি ভাষা চাপানো কি কগনিটিভ লোড নয়? আগে দুই ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে, তারপর যত ভাষাই চাপানো হোক তা মেনে নেওয়া যায়। নিজ মাতৃভাষা বাংলায় আমরা কতটা দক্ষ তা-ই প্রশ্নসাপেক্ষ। দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি শেখাও যেখানে এখনো চ্যালেঞ্জিং, সেখানে ভাষা অর্জনের পথে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে ইংরেজি শিক্ষা কার্যকর করা এই দেশীয় প্রেক্ষাপটে কঠিন। এসব সমস্যার সমাধান না করে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত কগনিটিভ লোড চাপিয়ে দেওয়া হলে তারা তিনটি ভাষাতেই আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। বর্তমান সময়ে এআই, ন্যানোটেকনোলজি ও রোবোটিকসের ব্যবহার শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম, কনফারেন্স বা একাডেমিক প্রেক্ষাপটে সীমাবদ্ধ না রেখে এই প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের কাঠামো যেন অর্থনীতির ভিত্তি হয়, সেই আলোকে শিক্ষানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা উচিত।

হিউম্যান সাইকোলজি

 হিউম্যান সাইকোলজি নিয়ে আগ্রহ ব্যাপক। প্রতিটি মানুষ যেন একটি স্যাম্পল, যাদের আচরণ, গতিবিধি, আবেগের বহিঃপ্রকাশ পর্যবেক্ষণ এবং তা বিশ্লেষণ যে ফলাফল প্রদান করে তা যেন পর্যবেক্ষকের চিন্তার জগতে নতুন তথ্য ইনপুট করে। প্রতিটি মানুষ জীবন্ত ডাটাসেট, আর আচরণকে অবজারভেশনাল ভেরিয়েবল, আবেগকে ইন্টারনাল স্টেট ভেরিয়েবল, সিদ্ধান্তকে কগনিটিভ ভেরিয়েবল হিসেবে ধরে এসব ভেরিয়েবলগুলোকে ফিল্ড হিসেবে স্প্রেডশিটে ইনসার্ট করে পারপোসিভ স্যাম্পলিংয়ের মাধ্যমে ডাটা কালেকশন করে তা এনালাইসিস করলে মনুষ্য মনোজগতের নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যাবে। ফলে হিউম্যান সাইকোলজি ও বিহেভিয়ার সায়েন্সের বিচিত্রতা সহজে বোঝা যাবে। ©