আত্মহত্যা
মেধাবী হলেই সফলতা আসে না। সফলতার জন্য মেধার চেয়ে ধৈর্য, একাগ্রতা, চাপ নেয়ার সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। আত্মহত্যার পেছনে এই কেস স্টাডিগুলো সমাজকে একটি ইনসাইড দেয় মেধা নয় কনসিসটেন্সি শেষ পর্যন্ত সফলতা আনে। যাদের মাঝে কনসিসটেন্সি আছে তাদের মাঝে ধৈর্য, মানসিক চাপ নেয়ার সক্ষমতা,টিকে থাকার মানসিকতার ভিত শক্ত। অবাক হলাম ইউ ল্যাব এর এক মেয়ে প্রেমঘটিত কারণে সুসাইড,গতবছর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের এক ছাত্রী গ্রহণযোগ্যতার ঘাটতির কারণে সুসাইড, বি সি এস ক্যাডার পুলিশ কর্মকর্তার মা স্ত্রীর অমিমাংষিত ঝগড়ার কারণে সুসাইড, ময়মনসিংহ এক প্রকৌশল কলেজে ছাত্রের বাবা মার চাপিয়ে দেয়া সাবজেক্টে চাপ সামলাতে না পেরে সুইসাইড। এই কেস স্টাডিগুলো সবাই মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে সুইসাইড যদিও চাপের নির্ধারকগুলো ভিন্ন।তারা মৃত্যুকেই সমাধান মনে করেছে। বাস্তবতা এই মৃত্যু এমনই এক অসীম ডিভিশন যার নিঃশেষে বিভাজ্য বলে কিছু নেই। এই কেস স্টাডিগুলোর সাপোর্ট মেকানিজম হয়তো পরিবার বা সমাজ সেভাবে হতে পারে নি নতুবা তারা সাপোর্ট মেকানিজম এর সাথে কানেক্টেড হতে চায়নি —এ গ্যাপেই ঝরে যায় অকালে প্রাণ, চিরকাল অভিশপ্ত আত...