বৈশ্বিক কাঠামো পশ্চিমা পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে বন্দি। দেশীয় বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ ও স্কলাররা কি সত্যিই এ কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মেধা রাখে, নাকি তারা শুধু পশ্চিমা কাঠামোর মিমিক্রি করছেন—সময়ই দেখাবে। ব্রেন ড্রেইন ঘটছে। দেশীয় মেধাবীরা পশ্চিমা শিক্ষার প্রতি অন্ধভাবে মিমিক্রি করে সমালোচনামূলক ও সৃজনশীল শক্তি দেশে রাখছে না। বিশেষত বিদেশে কর্মরত স্কলাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় পশ্চিমা শিক্ষাব্যবস্থা ও AI টুলস প্রমোট করে। এতে দেশীয় ছাত্রদের “পশ্চিমা টান” তৈরি হয়, এবং তারা পশ্চিমাদের পুঁজির মূলধন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অদৃশ্য অর্থনৈতিক নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। যেখানে মিমিক্রি, সেখানে মেধা বায়বীয় অবস্থায় থাকে। স্বকীয়তা ও স্বজাত্যবোধ না থাকলে, পশ্চিমা কাঠামোয় PhD ডিগ্রি অর্জন প্রায় মূর্খতার সমতুল্য। তাই বৈশ্বিক কাঠামোর “স্ট্রাকচারাল টিকটোনিক প্লেট” কেঁপে ওঠে না। স্বকীয়তা ও স্বজাত্যবোধের ভূমিকম্প ছাড়া পঞ্চমেরুকরণ বৈশ্বিক কাঠামো তৈরি হবে না।