উপাদান
পৃথিবীতে প্রতিটি বস্তু বা জিনিস অতি ক্ষুদ্র কণাসমূহের মাধ্যমে সৃষ্টি। প্রতিটি বস্তু উপাদানের সমন্বয়ে সৃষ্টি যার উপর ভিত্তি করে একটি কাঠামো তৈরি হয়। ধরুন, আপনি পরিবার প্রধান। তাহলে আপনার মধ্যে সেই উপাদান বা গুণগুলো থাকতে হবে যাতে পরিবারের সদস্য আপনাকে উপযুক্ত মনে করে। আপনার মাঝে কঠোরতা ও নমনীয়তা দুটি গুণই থাকতে হবে এবং আপনাকে বুঝতে হবে কখন কোন পরিস্থিতিতে আপনি নমনীয় বা কঠোর হবেন এবং কতটুকু হবেন কার সাথে। আবার ধরুন, আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হন বা রাষ্ট্রের প্রধান হোব একই সূত্র প্রয়োগিত হবে। আবার ধরুন, আপনি একটি বিল্ডিং বানাবেন, আপনাকে অবশ্যই ভালো একজন আর্কিটেক্ট নির্বাচন করতে হবে স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য তারপর আপনাকে স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের বাস্তবায়নের জন্য উপাদানসমূহ ও শ্রমিক-মূলধন-সংঘটনের সমন্বয়ে আপনি একটি বিল্ডিং বানাতে পারবেন। ঠিক তেমনি, আপনি যদি বেসিক না পড়ে মানে সূত্র না পড়ে লগারিদম -সূচক-ক্যালকুলাসের কারিগর কখনোই হতে পারবেন না। ধরুন আপনি রিসার্চের জগতে আসলেন আর আপনি পেপার পড়ে পৃথিবী উল্টিয়ে ফেললেন কিন্তু রিসার্চের বেসিক এলিমেন্ট গুলো কি, একে অপরের সাথে কি সম্পর্ক, একে অপরের সাথে কিভাবে ইন্টাররিলেটেট তা জানেন না, দিনশেষে আপনি কিছুই শিখতে পারবেন না। পৃথিবীতে মহান আল্লাহ তায়ালা সবকিছু সৃষ্টি করেছেন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরমাণুর সমন্বয়ে। সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে আগে জেনে আপনাকে অণু সম্পর্কে জানতে হবে, তারপর যৌগ, জৈব যৌগ। আপনি প্রথমে জৈব যৌগ -যৌগ-অণু-পরমাণু এ ধারাবাহিকতায় যদি অগ্রসর হন তাহলে আপনি গ্রেট জিরো। তাই আপনাকে বুঝতে হবে কোথায় কিভাবে শুরু করতে হবে।