আমেরিকা
আমেরিকা এত ইসরায়েল ইসরায়েল করে কেন? পেছনে জায়োনিস্ট কমিউনিটি যারা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে টাকা ঢালে যাতে ইসরায়েলের পক্ষে থাকে। AIPAC রাজনৈতিক প্রার্থীদের পেছনে টাকা বিনিয়োগ করে যাতে মুনাফা হিসেবে আমেরিকা ইসরায়েলের পক্ষ নেয়। তাইতো জো বাইডেন থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বিচারে গাজায় জিনোসাইডে সমর্থন জানায়। যখনই কোনো উদীয়মান দেশ পারমাণবিক শক্তিতে শক্তিধর হতে থাকে তখনই আমেরিকা নানা নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে। যেমন ইরান। আমেরিকা চায় না ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে এগিয়ে পারমাণবিক বোমা বানানোর পথে এগিয়ে যাক যার ফলে আমেরিকার মদদে ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়, পাল্টা হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। আমেরিকা যা ইচ্ছে তাই করতে পারে কিন্তু রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া পারবে না যদি ও সামরিক শক্তিতে রাশিয়া প্রথম। এই ট্রাইপোলার শক্তিশালীগুলো ইউনিপোলার আমেরিকার সাথে পারবে না কারণ ইইউ এর ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত শক্তির কাছে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা। আই এম এফ, বিশ্বব্যাংক, আই আর জি সি, ইউ এন সবই আমেরিকার অধিভুক্ত এমনকি মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ ও। আরবলীগ ব্যস্ত আমেরিকার পা চাঁটায়। ইরান ও ভেনেজুয়েলার মতো দক্ষিণ আমেরিকার এ ছোট দেশটি আমেরিকাকে চোখ রাঙায় কিন্তু আরবলীগ নিজেদের আর্থো রাজনৈতিক সুবিধার্থে নিজেদের দেশে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ দিয়ে আমেরিকার হেজেমনিক পাওয়ারকে আরও সুসংহত করে গাজা,সিরিয়া,ইয়েমেন, লিবিয়ার মানুষদের দীর্ঘশ্বাস ভারী করার সুযোগ দিয়ে পশ্চিমা সংস্কৃতি আরবীয় সংস্কৃতিতে এনে কুরআনের বাণীগুলোকে সত্যে রূপ দিচ্ছে। সৌদিতে একটা সময় বার,ড্রিংকস সংস্কৃতি নিষিদ্ধ ছিল এখন ওরাই তা অনুসরণ করছে।
নিজেদের স্বকীয় সংস্কৃতি, স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্রতা ভুলে আমেরিকার পা চাঁটাই যাদের লক্ষ্য তাদের থেকে ইমাম গাজ্জালী, আল বিরুনী, জাবির ইবনে হাইয়ান, ইবনে সিনা প্রমুখ ব্যক্তিত্ব আসবে না। জাবির ইবনে হাইয়ান, ইবনে সিনা এর বই ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নাম বিকৃত করে পড়ানো। পশ্চিমরা আত্মসাৎকারী,ভিখারি অথচ আরবলীগ তা ভুলে গিয়ে ওদের প্রভু মানে।
©