Posts

Tech Giants, Algorithms, and Our Emotions: The Invisible Control of the Digital Economy

 Tech Giants, Algorithms, and Our Emotions: The Invisible Control of the Digital Economy In today's world, we wake up every day, pick up our phones, scroll through social media, watch videos, react to posts. We think - these are the results of our personal choices. But if we go a little deeper, we see that behind this whole process there is a well-organized structure, where our emotions, attention and behavior have become part of an economic system. At the heart of this structure is the Attention Economy - an idea where people's attention is the most valuable resource. Big technology companies like Google, Meta (Facebook), YouTube, TikTok are not just platforms; they are the gatekeepers of our information flow. What we see and what we don't see - is determined in large part by the systems created by these companies. Their main goal is very clear - to keep users on the platform for as long as possible, because the longer we stay there, the more ads we see, and the more incom...

পরিবার নামক মহাবিদ্যালয়

  পরিবার নামক মহাবিদ্যালয় রাজনীতি বোঝার জন্য পরিবার নামক আদিম প্রতিষ্ঠানটি একটি জ্ঞানের ভাণ্ডার। বৈশ্বিক রাজনীতির ভিত্তি এই পরিবার থেকেই সূচিত। এরিস্টটল যেমন মানুষকে রাজনৈতিক প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তেমনি এই রাজনৈতিক সত্তার প্রথম অনুশীলনও ঘটে পরিবারে। পরিবারের মধ্যে ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, আনুগত্য ও আবেগের যে বিন্যাস গড়ে ওঠে, তা পরবর্তীতে রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির কাঠামোয় প্রতিফলিত হয়। পরিবারের বড় সদস্যরা যেমন আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে প্রভাব বিস্তার করে, তেমনি রাষ্ট্রও নাগরিকদের আবেগকে বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। যেখানে পারিবারিক রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার আবেগ, সেখানে বৈশ্বিক রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার কৌশল। দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমিক সমাজবিজ্ঞান বইগুলো পরিবারকে সন্তানের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে দেখায়, কিন্তু বাস্তবে এটি এমন একটি স্থান, যেখানে অধিকাংশ দূরন্ত রাজনৈতিক প্রাণী স্বার্থের পেছনে ছুটে আবেগকে হাইপারসোনিক মিসাইলের মতো ব্যবহার করে। এই আবেগীয় ভারসাম্যহীনতার দায় চাপানো অনেকটা প্রথম বিশ্বের দেশগুলোর ভারসাম্যহীন সিদ্ধান্তের ফলে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো যে প্রভাব ভোগ করে...

পারমাণবিক বোমা ও তার বিশ্বকথন"

 "পারমাণবিক বোমা ও তার বিশ্বকথন" পারমাণবিক শক্তি হলো এক প্রকার শক্তি যা পারমাণবিক সংযোজন বা বিভাজনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। পারমাণবিক শক্তির নির্গমন তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমটি হলো পারমাণবিক শক্তির উদ্ভব, যা তেজস্ক্রিয় মৌলের ক্ষয় অথবা তেজস্ক্রিয় পদার্থের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত নিউট্রন ও প্রোটনের চলাচলের মাধ্যমে ঘটে। দ্বিতীয়টি হলো পারমাণবিক সংযোজনের মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তির নির্গমন, যা দুটি পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের সমন্বয়ে একটি বৃহত্তর নিউক্লিয়াস গঠনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। সর্বশেষটি হলো পারমাণবিক বিভাজনের মাধ্যমে পারমাণবিক শক্তির সৃষ্টি, যা ঘটে যখন একটি ভারী নিউক্লিয়াস দুই বা ততোধিক ছোট পারমাণবিক নিউক্লিয়াসে বিভক্ত হয়। যখন একটি ভারী পরমাণু নিউট্রন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তখন এটি হালকা পরমাণুতে রূপান্তরিত হয় এবং তাপশক্তি নির্গত করে—এটিই পারমাণবিক শক্তি নামে পরিচিত। এই বিক্রিয়ার শুরুতে তিনটি নিউট্রন উৎপন্ন হয়। 'নিউট্রনের উৎপাদন এবং শৃঙ্খল বিক্রিয়া' ধরা যাক, প্রতিটি পারমাণবিক বিক্রিয়া থেকে উৎপন্ন নিউট্রনের সংখ্যা = ৩। একটি পারমাণবিক বিক্রিয়ায় তিনটি ন...

দেশ ও সংবিধান

 দেশ ও সংবিধান আমাদের দেশে কিসের ভিত্তিতে সংবিধান বাতিলের প্রশ্ন উঠছে সেটা বোধগম্য নয়। ১৯৭২-এর সংবিধান ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ঐ সময় স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের গণপরিষদ গঠিত হয়েছিল। সেই গণপরিষদ সংবিধান প্রণয়ন করে। এই গণপরিষদের সদস্যরাই পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলেন। এরপর সরকার প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করেছে। কিন্তু, যে চারটি মূলনীতি-সমাজতন্ত্র কি আদৌ বাস্তবায়িত হয়? অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর্যন্ত আদৌ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশীয় ৫৫ বছরে ঘটে যাওয়া বাস্তবতার নির্যাস কি তাই বলে? দেশের কত শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে সে প্রশ্নই দেশীয় সংবিধানের ভিত্তি সমাজতন্ত্রের কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। গ্লোবাল ইকোনমির তথ্য অনুযায়ী ২০২২ সালে ১৮.৭% লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। তাহলে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা কি সরলরৈখিক? দেশে দুবার স্বৈরতন্ত্রের পতন হয়েছে ১৯৯০ ও ২০২৪। পঞ্চান্ন বছরে গণতন্ত্র তাহলে ২৪ বছর অস্তমিত ...

দেশ

 এদেশ সত্যিই অদ্ভুত। কখনো হিরো আলম, কখনো তাজু ভাই যারা সামাজিক গবেষণার ডোমেইন থেকে মেইনস্ট্রিম কালচারের বিকল্প (অলটারনেটিভ) ভয়েস হিসেবে গণ্য দেশীয় মিডিয়া (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক) এবং সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। তখন দেশীয় বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সেই বিষয়কে গবেষণার ও আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে অনুসরণ করেন। আর যখন ওসমান হাদী মারা গেলেন, তখন তাঁর চেতনাকে কেন্দ্র করে কিছু বাঙালি তা অনলাইন কোর্স বিজনেসে রূপান্তরিত করলেন। কারো দেশপ্রেম বা আত্মত্যাগী চেতনা কাস্টমাইজড অনলাইন কোর্সের  ক্যাপিটাল হতে পারে এমন উদ্ভাবনী উদ্যোগ শুধু বাঙালির মাথায় আসে। ওসমান হাদীকে নিয়ে গবেষণার নামে তাঁর চেতনাকে কেবল পেপারের ক্যাপিটাল হিসেবে ব্যবহার করা এটাই এই প্রবণতার বাস্তব চিত্র। আমাদের দেশীয় মিডিয়া এবং মানুষের আবেগীয় রাসায়নিক মিথস্ক্রিয়ায় সমাজের মননে জন্মে ডাবল স্ট্যান্ডার্ডনেস। মিডিয়া সমাজের গতিশীলতায় সৃষ্ট নব্য ট্রেন্ডকে প্রমোট করে, যা আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তখন অলটারনেটিভ ভয়েস মেইনস্ট্রিম কালচারের প্যাটার্নকে রেজিস্ট করে তাদের দৃশ্যমানতা আলোকরশ্মির মতো...