দেশ
এদেশ সত্যিই অদ্ভুত। কখনো হিরো আলম, কখনো তাজু ভাই যারা সামাজিক গবেষণার ডোমেইন থেকে মেইনস্ট্রিম কালচারের বিকল্প (অলটারনেটিভ) ভয়েস হিসেবে গণ্য
দেশীয় মিডিয়া (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক) এবং সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। তখন দেশীয় বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সেই বিষয়কে গবেষণার ও আলোচনার বিষয়বস্তু হিসেবে অনুসরণ করেন।
আর যখন ওসমান হাদী মারা গেলেন, তখন তাঁর চেতনাকে কেন্দ্র করে কিছু বাঙালি তা অনলাইন কোর্স বিজনেসে রূপান্তরিত করলেন। কারো দেশপ্রেম বা আত্মত্যাগী চেতনা কাস্টমাইজড অনলাইন কোর্সের ক্যাপিটাল হতে পারে এমন উদ্ভাবনী উদ্যোগ শুধু বাঙালির মাথায় আসে। ওসমান হাদীকে নিয়ে গবেষণার নামে তাঁর চেতনাকে কেবল পেপারের ক্যাপিটাল হিসেবে ব্যবহার করা এটাই এই প্রবণতার বাস্তব চিত্র।
আমাদের দেশীয় মিডিয়া এবং মানুষের আবেগীয় রাসায়নিক মিথস্ক্রিয়ায় সমাজের মননে জন্মে ডাবল স্ট্যান্ডার্ডনেস।
মিডিয়া সমাজের গতিশীলতায় সৃষ্ট নব্য ট্রেন্ডকে প্রমোট করে, যা আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তখন অলটারনেটিভ ভয়েস মেইনস্ট্রিম কালচারের প্যাটার্নকে রেজিস্ট করে তাদের দৃশ্যমানতা আলোকরশ্মির মতো ছড়ায়, কিন্তু কিছু সময় পর তা সমাজের ব্ল্যাকহোলে মিলিয়ে যায়। এভাবেই দেশীয় মিডিয়া, মেইনস্ট্রিম কালচার এবং তার ধারকদের কমন ন্যাচার প্রকাশ পায়।
©দ্বীন সাঈদীন