Posts

ডোপামিন, স্বীকৃতি ও মানুষের আচরণ

  ডোপামিন, স্বীকৃতি ও মানুষের আচরণ অধিকাংশ মানুষ প্রশংসা চায়, কারণ মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেম তাকে সে দিকে প্রণোদিত করে। ডোপামিন নামক নিউরোট্রান্সমিটার সেই আনন্দ ও প্রাপ্তির অনুভূতি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই মানুষ সামাজিক স্বীকৃতি ও মনোযোগ বেশি প্রত্যাশা করে। অন্যদিকে, যাদের মস্তিষ্ক সমালোচনাকে গ্রহণ করতে শেখে, তারা অনেক সময় আত্মসমালোচনা, আত্মউন্নয়ন ও বাস্তবতাকে আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়, কারণ তাদের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স আবেগ নিয়ন্ত্রণ, বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা ও আত্মপর্যালোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ©দ্বীন সাঈদীন

টাইম ডিলেশন অব জাস্টিস

  টাইম ডিলেশন অব জাস্টিস দেশে বিচারহীনতার যে বিলম্ব তা মহাজাগতিক সময়ের ব্যাস্তানুপাতিক। থিওরি অব রিলেটিভিটি এর সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তুর গতি যত বাড়ে সময় তত ধীর হয় যে সূত্র মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের জন্য প্রযোজ্য। দেশীয় বাস্তবতায় ফেরা যাক। দেশে যৌন নির্যাতনের মতো ঘটনাগুলো ঘটছে। কেন ঘটছে এটা এখন কনটেক্সট এ ব্যাকডেটেড প্রশ্ন। এ অপরাধের পেছনে ও বিচারহীনতার পেছনের বিলম্বগুলো কি কি? প্রশাসনিক কাঠামো ও প্রক্রিয়ার ধীরগতি। এখন প্রশ্ন কেন এই ধীরগতি? এ প্রশ্ন পুরো দেশীয় বিচার ব্যবস্থার বিলম্বতা ও নিষ্ক্রিয়তার পেছনের কারণগুলো অনুসন্ধান করে। প্রযুক্তির এ সময়ে যেখানে মহাকাশে ডাটা সেন্টার প্রতিস্থাপনের জোর পরিকল্পনা চলছে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কমাতে, ঠিক তখন দেশীয় বিচারব্যবস্থার পশ্চাৎপদতা এ ডিজিটালাইজেশন এর যুগে বড়ই বেমানান। দেশীয় যৌন অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের একটি বস্তু হিসেবে কল্পনা করুন যা দ্রুত গতিতে সমাজে বাতাসের বেগের মতো প্রবাহমান হচ্ছে, আর বিচার বিভাগের নিষ্ক্রিয়তাকে টাইম ডিলেশন হিসেবে কল্পনা করুন। দেশীয় বিচার ব্যবস্থার নিষ্ক্রিয়তা যেন ফিজিক্সের টাইম ডিলেশনের সাথে সমানুপাতিক। দেশীয় বিচার ব্য...

Indestructible Molecular Web

  Indestructible Molecular Web We are citizens of a strange domain, Where even dawnlight fails to bring change. All around stretches a cosmic snare— An endless black hole of despair. There, reactions occur without cease, As sin compounds and shatters peace. Corruption, nepotism, hollow praise— Embedded deep in society’s veins. Faithlessness and jealous spite, Hypocrisy cloaked in borrowed light. This chemistry of greed and deceit Has forged a bond none can defeat. Such is this molecular design— What laboratory could break its spine? No ordinary chemical reaction, Nor fierce electric electrolysis, Can alter what stands so firm— They collapse into futile theses. Even light’s own photodissociation Fails before this dark formation. Radioactive radiolysis decays in vain, Unable to dissolve the stain. Nor can thermal decomposition’s fire Melt this long-inherited mire. The molecule called “Bengali” clings too tight, Embracing injustice, abandoning insight. Even ...

"ধর্ষণ: মাদক বা পর্নোগ্রাফি নয়, সমস্যা আরও গভীর"

 "ধর্ষণ: মাদক বা পর্নোগ্রাফি নয়, সমস্যা আরও গভীর" ধর্ষণের মতো ভয়াবহ অপরাধকে শুধু মাদক বা পর্নোগ্রাফির ওপর দোষ চাপিয়ে বোঝানো বাস্তবতাকে সহজভাবে দেখা হয়। মাদক ও পর্নোগ্রাফি কিছু ক্ষেত্রে খারাপ কাজ বাড়াতে প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু এগুলোই একমাত্র কারণ নয়। ধর্ষণের পেছনে রয়েছে ক্ষমতার অপব্যবহার, খারাপ মানসিকতা, বিচারহীনতা, সামাজিক অবনতি, পারিবারিক সমস্যা, নৈতিক শিক্ষার অভাব এবং দীর্ঘদিনের আইনি সমস্যা। রাষ্ট্র যদি সত্যিই মাদক ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তাহলে শুধু কথা বলে হবে না। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, সাইবার নজরদারি, আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মের জবাবদিহিতা এবং কার্যকর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। গুগল ও মেটার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি ব্যবহারের প্রবণতা সম্পর্কিত অ্যানোনিমাইজড পরিসংখ্যান ও সেগমেন্টেড ডাটা বিশ্লেষণ করে দেখা যেতে পারে কোন বয়সের মানুষ এতে বেশি সম্পৃক্ত, এবং সেই অনুযায়ী গবেষণাভিত্তিক সমাধান নির্ধারণ করা যেতে পারে। পলিসি মেকার ও গবেষকরা এ কাজে সরকারকে সহায়তা করলে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। একইসঙ্গে নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকারও রক্ষা করতে হবে। সবচেয়ে গুর...

" ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার কারণ: মনোবিজ্ঞান, স্নায়ুবিজ্ঞান, ইসলাম"

 " ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার কারণ: মনোবিজ্ঞান, স্নায়ুবিজ্ঞান, ইসলাম" ছোট ছোট মেয়েদের রেপ করা হচ্ছে। বাচ্চারা তো কোনো দোকানের ফল নয় যে যেভাবে খুশি ব্যবহার করবে। ধর্ষণ কেন হয়? নারীর পোশাক এই ধরনের ব্যাখ্যা বৈজ্ঞানিক বা অপরাধবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ধর্ষণের প্রধান কারণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে পোশাক বা যৌন আবেদন কোনোভাবেই কারণ হিসেবে দাঁড়ায় না, কারণ শিশুদের মধ্যে যৌন উদ্দেশ্যপূর্ণ আচরণ থাকে না। ধর্ষণের মূল কারণ সাধারণত ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা, অপরাধপ্রবণতা এবং সামাজিক-নৈতিক ব্যর্থতার সাথে সম্পর্কিত। আমাদের মা-বোনদের কেন নিরাপত্তা দিতে আমরা ব্যর্থ? অনেক সময় দেখা যায়, বোরকা পরিহিত বা সম্পূর্ণ আবৃত নারীরাও নির্যাতনের শিকার হন যা স্পষ্ট করে যে পোশাক এখানে নির্ধারক কারণ নয়। যৌনতা ও আচরণের ক্ষেত্রে সিগমন্ড ফ্রয়েড এর ইদ , ইগো ও সুপারইগো  ধারণা মনোবিজ্ঞানের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হলেও আধুনিক মনোবিজ্ঞান একে ধর্ষণের সরাসরি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হিসেবে গ্রহণ করে না। এটি একটি তাত্ত্বিক কাঠামো, কিন্তু অপরাধের কারণ ব্যাখ্যায় এটি একক বা সিদ্ধান্তমূলক নয়। ধর্ষণকে সাধারণত...