Posts

IR

 Will Ukrainian President Volodymyr Zelenskyy, who relies on military assistance from the United States and European Union member states to protect his country from Russia's aggression, provide military assistance to the United Arab Emirates? In 2022,Russia and Ukraine entered into open conflict amid Ukraine's efforts to move closer to the Western alliance and Russia's fear of Ukraine joining NATO. Zelensky is receiving what could be seen as a consolation prize from the United States, but Ukraine has not been granted NATO membership.The US is using Zelensky to push Russia into a proxy war and economically corner it. However,Zelensky appears to be living in a fool's paradise. He has not gained NATO membership, yet he is paying the price by shedding Ukrainian blood. Will Ukraine, which is heavily dependent on the United States and European Union for military support and weapons,provide military assistance to the United Arab Emirates?

মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের দ্বৈত আচরণের পেছনের সত্যতা"

 "মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের দ্বৈত আচরণের পেছনের সত্যতা" মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও রাজনৈতিক উত্তেজনার পেছনে পশ্চিমা শক্তিগুলোর দ্বৈত মানদণ্ড স্পষ্টভাবে দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে, আমেরিকা ও ইসরায়েল সম্মিলিতভাবে যখন ইরান আক্রমণ করে আরব রাষ্ট্রগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার করে সেটা প্রতিরক্ষা আর ইরান যখন গলফ অঞ্চলের আরব রাষ্ট্রগুলোর মার্কিন ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায় সেটা সন্ত্রাসবাদ, আরব রাষ্ট্রগুলোর শান্তি ও নিরাপত্তার হুমকি বলে আমেরিকার পাশে দাঁড়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত রাষ্ট্র ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও জার্মানী। ডাবল স্ট্যানডার্ট আরব রাষ্ট্রগুলো, আমেরিকা ও তার মিত্র। পাওয়ার আছে যাদের হাতে তাদের আক্রমণ সংজ্ঞায়িত হয় প্রতিরক্ষা হিসেবে আর যার উপর আক্রমণ করা হয় সে পুনরায় জবাব দিলে তা সংজ্ঞায়িত হয় সন্ত্রাসবাদ হিসেবে। হিজবুল্লাহ সশস্ত্র সংগঠন যা ফিলিস্তিন ভূখণ্ড রক্ষার দাবিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরায় ওরা সংজ্ঞায়িত হয় পশ্চিমা সন্ত্রাসবাদ সংজ্ঞায়নের মানদণ্ডে জঙ্গি। হিজবুল্লাহ মতো সশস্ত্র সংগঠনকে পঙ্গু করার উদ্দেশ্য যাতে আমেরিকা ও ইসরায়েল প্যালেসটাইনে নিজেদের মতো শাসন কাঠামোর স্ট্রাকচারাল সিস্টেম ...

প্রতিবাদ

 স্বয়ং বিপ্লবী কবি কাজী নজরুল যদি এই সময়ে এসে সমাজ ও রাষ্ট্রের অসংগতি তাঁর সাহিত্যে তুলে ধরতেন, তবে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তা হয়তো হিতের বিপরীত হয়ে দাঁড়াত। তাঁর সময়ের মানুষের সমষ্টিগত চাহিদা ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানি শাসনের হাত থেকে মুক্তি অর্জন। কিন্তু আজকের সমাজে মানুষের সমষ্টিগত চাহিদা ভিন্ন—তোষামোদ, ব্যক্তিস্বার্থ ও ব্যক্তিগত সুখের পরিধির মধ্যেই যেন তা সীমাবদ্ধ। ফলে যারা সমাজ ও রাষ্ট্রের অসংগতি নিয়ে ভাবেন, কল্যাণের কথা বলেন, তাদের পরিণতি অনেক সময়ই ভয়াবহ হয়ে ওঠে। একক প্রচেষ্টায় দেশের বা সমাজের মঙ্গল চাইতে গিয়ে তারা সমালোচনা ও শাস্তির মুখোমুখি হন। ই.উ.বি.-এর অধ্যাপক ড. সরোয়ার হোসেন ট্রান্সজেন্ডার ইস্যুতে বিনম্র ভাষায় মত প্রকাশ করায় প্রথমে বহিষ্কৃত হন, পরে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে পুনর্বহাল করা হয়। তিনি একটি বিতর্কিত সামাজিক ইস্যু নিয়ে কথা বলে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেছিলেন—কিন্তু সেই চেষ্টাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমান সমাজে বিভিন্ন সংগঠন ও গোষ্ঠী যখন একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করে, তখন তার বিপরীত অবস্থান নেওয়া ব্যক্তির পক্ষে টিকে থাক...

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বিভাজন: মুসলিম উম্মাহর পতন"

 "মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক বিভাজন: মুসলিম উম্মাহর পতন" ইরান একা যুদ্ধ করে গেল আর রাশিয়া ও চীন আমেরিকা ও ইসরায়েলের শুধু নিন্দা প্রকাশ করে আর জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করল। কেন রাশিয়া ও চীন সরাসরি ইরানের হয়ে আমেরিকা ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল না, কেনবা যুদ্ধের জন্য সামরিক সহায়তা চীন ও রাশিয়া হতে আসেনি? প্রথমত বৃহৎ শক্তির সাথে সংঘাতে জড়াতে রাশিয়া ও চীন চাইবে না কেননা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে যাবে। দ্বিতীয়ত রাশিয়া ও চীন কৌশলগত বন্ধুত্ব বজায় রেখেছে ইরানের সাথে। ইরানের সাথে সামরিক জোট করে যুদ্ধে জড়াতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এক ধরনের প্রক্সি সম্পর্ক। তৃতীয়ত রাশিয়া ২০২২ সাল থেকে ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ সহ্য করছে আমেরিকার আর সরাসরি সংঘাতে যাওয়া মানে নিজের পায়ে নিজে কোরাল দেয়া। আর চীন পৃথিবীর অন্যতম রপ্তানিকারক দেশ যার বাজার আমেরিকা ও ইউরোপ। তাহলে চীন কি চাইবে দেশীয় অর্থনীতি ঝুঁকিতে ফেলতে? অন্যদিকে আরব রাষ্ট্রগুলো আমেরিকা ও ইসরায়েলকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিয়ে ইরানে হামলা চালানোর বৈধতা দেয়,অথচ ইরান যখন ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালায় ...

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও রাজতন্ত্রের জটিল সম্পর্ক

  মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও রাজতন্ত্রের জটিল সম্পর্ক মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোই যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব এবং ভীতকে শক্ত করেছে। যদি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি দেওয়ার অনুমোদন না দিত, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে এতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারত না। কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েতের শাসন কাঠামো রাজতন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল। রাজতান্ত্রিক কাঠামো টিকিয়ে রাখতে এবং নিজেদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে। এই ঘাঁটিগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্র সহজে সেনা মোতায়ন, পরিচালনা করতে পারে, গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে পারে এবং আঞ্চলিক সংঘাতে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম। কেন ইরান কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে? এর উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের উপর সামরিক অভিযান চালানো এবং নজরদারি করা কঠিন করে তোলা। এই হামলার মাধ্যমে ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বার্তা দেয় যে, আঘাত হানলে পাল্টা প্রতিরোধে সক্ষম। ইরান এই ধরনের দাঁত ভাঙা জবা...