মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের দ্বৈত আচরণের পেছনের সত্যতা"
"মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমাদের দ্বৈত আচরণের পেছনের সত্যতা"
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও রাজনৈতিক উত্তেজনার পেছনে পশ্চিমা শক্তিগুলোর দ্বৈত মানদণ্ড স্পষ্টভাবে দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে, আমেরিকা ও ইসরায়েল সম্মিলিতভাবে যখন ইরান আক্রমণ করে আরব রাষ্ট্রগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার করে সেটা প্রতিরক্ষা আর ইরান যখন গলফ অঞ্চলের আরব রাষ্ট্রগুলোর মার্কিন ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায় সেটা সন্ত্রাসবাদ, আরব রাষ্ট্রগুলোর শান্তি ও নিরাপত্তার হুমকি বলে আমেরিকার পাশে দাঁড়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত রাষ্ট্র ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও জার্মানী। ডাবল স্ট্যানডার্ট আরব রাষ্ট্রগুলো, আমেরিকা ও তার মিত্র। পাওয়ার আছে যাদের হাতে তাদের আক্রমণ সংজ্ঞায়িত হয় প্রতিরক্ষা হিসেবে আর যার উপর আক্রমণ করা হয় সে পুনরায় জবাব দিলে তা সংজ্ঞায়িত হয় সন্ত্রাসবাদ হিসেবে।
হিজবুল্লাহ সশস্ত্র সংগঠন যা ফিলিস্তিন ভূখণ্ড রক্ষার দাবিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরায় ওরা সংজ্ঞায়িত হয় পশ্চিমা সন্ত্রাসবাদ সংজ্ঞায়নের মানদণ্ডে জঙ্গি। হিজবুল্লাহ মতো সশস্ত্র সংগঠনকে পঙ্গু করার উদ্দেশ্য যাতে আমেরিকা ও ইসরায়েল প্যালেসটাইনে নিজেদের মতো শাসন কাঠামোর স্ট্রাকচারাল সিস্টেম স্থাপন করতে পারে।
মৌলবাদী বলে মুসলিমদের জঙ্গি বলে ইসলামকে ছোট করা।প্রতিটি মুসলিম মৌলবাদী কারণ মৌলিক বা একেশ্বরবাদী প্রতিটি মুসলিম যারা এক আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় আল্লাহর রাস্তায় নিজেদের উৎসর্গ করে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত মূলত পশ্চিমা শক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আর পশ্চিমা শক্তির পদতলে গলফ অঞ্চলের আরব রাষ্ট্রগুলোর দাসত্বের কারণে।পশ্চিমারা তাদের স্বার্থ ও প্রভাব বিস্তার নিশ্চিত করতে সংঘাতের সংজ্ঞা নিজেদের সুবিধামতো নির্ধারণ করে।
©দ্বীন সাঈদীন