Posts

⛔How to Write a Research Proposal ⛔

  For English Department Students   ⛔How to Write a Research Proposal ⛔ A research proposal explains what to study, why it is important, and how will the study be conducted.  A standard research proposal includes the following sections: 1. Title Purpose: The title should clearly reflect: The research topic The target group The method or approach Example: English Language Learning Anxiety among Lushai Minority Students: Application of the Natural Language Approach ⚪ Clear ⚪ Specific   2. Introduction The introduction: Provides background information Explains why the topic is important Identifies the problem Introduces the proposed solution What to include: Importance of English in the modern world Educational challenges of minority communities The problem of anxiety in English learning Why this study is necessary Example focus: Explain that although English is essential for Lushai students, socio-cultural, linguistic, and emotional barriers cause anxiety, which n...

দুর্লভ খনিজ, পরাশক্তি ও একমুখী বিশ্বব্যবস্থার নকশা

 দুর্লভ খনিজ, পরাশক্তি ও একমুখী বিশ্বব্যবস্থার নকশা একটা ক্ষুধার্ত বাঘ ট্রাম্প, যার টার্গেট হলো খনিজ ও দুর্লভ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশগুলোর সম্পদ গ্রাস করা। ডেনমার্কের অধীনে থাকা গ্রিনল্যান্ডও তার অধীনে নিতে হবে। কেন? কারণ গ্রিনল্যান্ডে ইউরেনিয়াম, লোহা, নিওডাইমিয়াম, তেল ও গ্যাস রয়েছে। ভেনেজুয়েলা কেন তার দরকার? আমেরিকার তেল পরিশোধনাগার বাঁচাতে ঘন অপরিশোধিত তেল প্রয়োজন, যা ভেনেজুয়েলায় সহজলভ্য। রাশিয়ার সঙ্গে বৈরিতার কারণে এটি সরাসরি আমদানি করা সম্ভব নয়। কানাডার কাছ থেকে আমদানি করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। ইরানকে কেন সবসময় টার্গেট করা হয়? কারণ ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলে পারমাণবিক ও সামরিকভাবে শক্তিশালী হয়ে আমেরিকার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে। চীনের কাছে রয়েছে নিওডাইমিয়াম নামক দুর্লভ খনিজ, যা দিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স এবং সামরিক প্রযুক্তির বিশ্ববাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। এই ক্ষেত্রে আমেরিকা অনেকাংশে নির্ভরশীল হলেও চীনকে চোখ রাঙাতে পারে না। অন্যদিকে, রাশিয়াকে ২০২২-এর ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হয়েছে। উল্টো রাশিয...

সাইকোলজিক্যাল ম্যানিপুলেশনমূলক এক্সপেরিমেন্ট

 পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো মানুষের উপর সাইকোলজিক্যাল ম্যানিপুলেশনমূলক এক্সপেরিমেন্ট চালানো। ধরুন, আপনি কোনো মানুষের সাইকোলজি গভীরভাবে বোঝেন। সেই বোঝাপড়াকে ব্যবহার করে যদি আপনার কথা বা আচরণের মাধ্যমে তাকে প্রভাবিত করেন, তারপর তার আবেগ ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ফলাফল বিশ্লেষণ করেন তাহলে সেটি হয়তো গবেষণা হিসেবে ধরা যেতে পারে, কিন্তু নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। মানুষের অজান্তে তার মানসিক কাঠামোর উপর পরীক্ষা চালানো নিঃসন্দেহে ill practice। আর আপনার পারসেপশন, অবজারভেশনাল স্কিল, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে প্রতিটি মানুষকে 'ডেটা' বা 'গবেষণার বিষয়' হিসেবে দেখা সেটি একেবারেই অসুস্থ মানসিকতার পরিচয়।বরং পারসেপশন, অবজারভেশনাল স্কিল, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে স্বার্থপর মানুষ থেকে দূরে থাকতে পারেন, প্রকৃত মানুষের সাথে যোগাযোগ দক্ষতা উন্নত করতে পারেন।

প্যাট্রিয়ার্কাল-ক্যাপিটালিস্ট স্ট্রাকচার

 লিটারেচারের ছাত্রদের জন্য ফেমিনিজম থিওরি খুব কমন। ওয়েস্টার্ন ও ইস্টার্ন ফেমিনিজম, প্রি ও পোস্ট-কলোনিয়াল ফেমিনিজমের ফ্রেমওয়ার্ক মূলত প্যাট্রিয়ার্কাল স্ট্রাকচারের বিরুদ্ধে এক সূক্ষ্ম প্রতিবাদ। মজার বিষয় হচ্ছে, বৈশ্বিক স্ট্রাকচারে যেসব ইজম যেমন ক্যাপিটালিজম, মিডিয়া, ফ্যাশন ও কস্টিউম ইন্ডাস্ট্রি, লিবারেলিজম সবই প্যাট্রিয়ার্কাল লজিকের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রেক্ষিতে নারীর স্বাধীনতা কোনো স্থির বাস্তবতা নয়; বরং তা নিগোশিয়েটেড ও স্ট্রাকচার-ডিপেনডেন্ট। 🙃 আবার যারা ফেমিনিজমের আলোকে লিটারারি টেক্সট থেকে নতুন আঙ্গিকে আইডিয়ার রিপ্রোডাকশন করে, ক্যাপিটালিস্টদের প্রেসক্রাইবকৃত রিসার্চ মেথডোলজি ও ফরম্যাট অনুসরণ করে হাই-ইনডেক্সড জার্নালে পেপার পাবলিশ করেন, তারাও অনেক ক্ষেত্রে ডাটা কলোনিয়ালিজমের আনকনশাস মাইন্ড-স্লেভারি প্র্যাকটিস পুনরুৎপাদন করেন। আসলে নারী সমাজ হোক বা একাডেমিয়ান কেউই প্যাট্রিয়ার্কাল-ক্যাপিটালিস্ট স্ট্রাকচারের বাইরে অবস্থান করে না। বরং এই স্ট্রাকচারের মধ্যে থেকে প্যাট্রিয়ার্কাল-ক্যাপিটালিস্ট চর্চা হয়তো একদিন ডাটা কলোনিয়ালিজমের হাত থেকে মুক্ত করে ডাটা-ডিকলোনাইজড সত্তা ...

মিডিয়া

  ছোটবেলায় আইপিএল খেলা দেখার সময় খেলার পাশাপাশি চিয়ার্স গার্লদের স্বল্পবসন দেখে মনে হতো ওরা হয়তো গরিব, তাই ঠিকমতো পোশাক এফোর্ড করতে পারে না। 😂 তখন গ্ল্যামার, পুঁজিবাদ বা বিনোদন-শিল্পের রাজনীতি বোঝার বয়স হয়নি। কিন্তু পরে যখন স্কোপোফিলিয়া ডিসকোর্সের সঙ্গে পরিচিত হলাম, তখন চিয়ার্স গার্লদের প্রতি আমার সহানুভূতি দশ গুণ বেড়ে গেল। বুঝতে পারলাম, ওদের শরীর এখানে ব্যক্তিগত নয় ওটা দর্শনের বস্তু, পুঁজির যন্ত্র, আর পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টির জন্য সাজানো এক প্রোডাক্ট।