প্যাট্রিয়ার্কাল-ক্যাপিটালিস্ট স্ট্রাকচার
লিটারেচারের ছাত্রদের জন্য ফেমিনিজম থিওরি খুব কমন। ওয়েস্টার্ন ও ইস্টার্ন ফেমিনিজম, প্রি ও পোস্ট-কলোনিয়াল ফেমিনিজমের ফ্রেমওয়ার্ক মূলত প্যাট্রিয়ার্কাল স্ট্রাকচারের বিরুদ্ধে এক সূক্ষ্ম প্রতিবাদ। মজার বিষয় হচ্ছে, বৈশ্বিক স্ট্রাকচারে যেসব ইজম
যেমন ক্যাপিটালিজম, মিডিয়া, ফ্যাশন ও কস্টিউম ইন্ডাস্ট্রি, লিবারেলিজম সবই প্যাট্রিয়ার্কাল লজিকের ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। এই প্রেক্ষিতে নারীর স্বাধীনতা কোনো স্থির বাস্তবতা নয়; বরং তা নিগোশিয়েটেড ও স্ট্রাকচার-ডিপেনডেন্ট। 🙃
আবার যারা ফেমিনিজমের আলোকে লিটারারি টেক্সট থেকে নতুন আঙ্গিকে আইডিয়ার রিপ্রোডাকশন করে, ক্যাপিটালিস্টদের প্রেসক্রাইবকৃত রিসার্চ মেথডোলজি ও ফরম্যাট অনুসরণ করে হাই-ইনডেক্সড জার্নালে পেপার পাবলিশ করেন, তারাও অনেক ক্ষেত্রে ডাটা কলোনিয়ালিজমের আনকনশাস মাইন্ড-স্লেভারি প্র্যাকটিস পুনরুৎপাদন করেন।
আসলে নারী সমাজ হোক বা একাডেমিয়ান কেউই প্যাট্রিয়ার্কাল-ক্যাপিটালিস্ট স্ট্রাকচারের বাইরে অবস্থান করে না। বরং এই স্ট্রাকচারের মধ্যে থেকে প্যাট্রিয়ার্কাল-ক্যাপিটালিস্ট চর্চা হয়তো একদিন ডাটা কলোনিয়ালিজমের হাত থেকে মুক্ত করে ডাটা-ডিকলোনাইজড সত্তা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেবে।
©