Posts

ডাটা কালেকশনে টার্গেট গ্রুপের মানসিক অবস্থা হ্যান্ডেল করার ধাপ" ১. ফ্রেন্ডলি হোন। আপনার

 "ডাটা কালেকশনে টার্গেট গ্রুপের মানসিক অবস্থা হ্যান্ডেল করার ধাপ" ১. ফ্রেন্ডলি হোন। আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ স্বাভাবিক রাখুন। হালকা হাসি ও আই কনট্যাক্ট বজায় রাখুন। ২. প্রথমে আপনার প্রয়োজন প্রকাশ করবেন না। প্রথমে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা করুন। তাদের সাথে গল্প করুন এবং ফ্রেন্ডলি হোন। ৩. ভাষা ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন। ৪. গবেষণার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করুন। আপনার গবেষণার উদ্দেশ্য এবং এটি সমাজে কোনো ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে কিনা বোঝান। ৫. সম্মতি ও প্রাইভেসি নিশ্চিত করুন। তারা যদি সহযোগিতা করতে রাজি না হয়, জোর করবেন না। তবে ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ থাকবে তা নিশ্চিত করুন। ৬. সংবেদনশীলতা বিবেচনা করুন। হরমোনাল স্টাডি বা মাইনরিটি ভিত্তিক গ্রুপের শিক্ষাগত, সামাজিক ও মানসিক অবস্থান বুঝে তথ্য সংগ্রহ করুন। ৭. গবেষণার বৈধতা। আইআরবি পারমিশন আপনার গবেষণার বৈধতা নিশ্চিত করে, কিন্তু টার্গেট গ্রুপের সঙ্গে কিভাবে ইন্টারঅ্যাকশন পরিচালনা করবেন তা আপনার রিসার্চ মেথডোলজির স্ট্র্যাটেজি। ৮. ডাটা কালেকশন মেথড। সংবেদনশীল বিষয়ের জন্য ফোকাস গ্রুপ মেথড, ইন্টারভিউ মেথড সাধারণত বেশি কার্যকর...

বৈশ্বিক কাঠামো

 একমুখী বৈশ্বিক কাঠামোর দিকে ঝুঁকছে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো। প্রত্যেকে চাচ্ছে যে, যার মতো করে বিশ্বকে শাসন করবে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিপোলার স্ট্রাকচার থেকে বিশ্ব বেরিয়ে এসে ট্রাইপোলার স্ট্রাকচার তৈরি হয়েছে। ট্রাইপোলার স্ট্রাকচারের কাঠামোর মধ্যে আবদ্ধ দেশগুলো তার চেয়ে দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করে প্রকাশ্য ডিজিটাল কালচার-ভিত্তিক টেরিটোরিয়াল কলোনিয়ালিজমকে প্রমোট করছে। উদাহরণস্বরূপ, ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে 'ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়' হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে বাংলাদেশের মধ্যে টেরিটোরিয়াল কলোনিয়ালিজমের সম্ভাবনাকে উস্কে দিচ্ছে। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত যুদ্ধ, ইসরায়েলের টেরিটোরিয়াল কলোনিয়ালিজম ফিলিস্তিনকে কপোকাত করছে, চীন-তাইওয়ান উত্তেজনা। প্রতিটি শক্তিশালী দেশ তার প্রতিবেশী দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে নিজের কলোনি বা সাবজেক্ট করার নেশায় ব্যস্ত। সায়েন্স ও টেকনোলজি উন্নত হচ্ছে, কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে পারমাণবিক, প্রযুক্তি ও সামরিক শক্তিধর দেশগুলোর আচরণ আপডেট হয়নি।তাদের আচরণ ম্যালভাইরাসের মতো যা এন্টি আপডেটেট ভাইরাস দিয়েও প্রতিহত করা যায় না।...

বৈশ্বিক ভূরাজনীতির মৌচাক ও আমাদের আত্মঘাতী বিভাজন

বৈশ্বিক ভূরাজনীতির মৌচাক ও আমাদের আত্মঘাতী বিভাজন মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা মহাদেশ একেকটা মৌমাছির চাক। মৌমাছির চাকে আকর্ষণ থাকবেই। ভাবতে পারেন কতটা ভিখারি ছিল ইউরোপ। মধ্যযুগ থেকে ছলনা, কৌশল, আধিপত্য খাটিয়ে ভিক্ষারীর বাচ্চারা লুট করেছে দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার প্রাকৃতিক সম্পদগুলো; শোষণ করেছে আমাদের—কারণ আমাদের মাঝে ঐক্য ও স্বকীয়তার বড় অভাব। আমরা অনুকরণপ্রিয়। ওরা ঐক্য ও স্বকীয়তা, জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। এখানেই আমাদের পার্থক্য। আপনি যদি কোনো মানুষকে সুযোগ না দেন, কারো বাবার সাধ্য নেই আপনার কাছ থেকে একবিন্দু সুবিধাভোগ করার। মনে পড়ে, পলাশীর যুদ্ধে কিভাবে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে খালা ঘষেটি বেগম ও মীরজাফর ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে স্বাধীনতার সূর্য দুশো বছর অস্তমিত করেছিল। কথায় আছে, ঘরের শত্রু বিভীষণ। এশিয়া ও আফ্রিকার মানুষদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা, স্বকীয়তা ও স্বাজাত্যবোধের খুব অভাব, যার কারণে পশ্চিমারা শোষণের সুযোগ পায়। পশ্চিমারা এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ থেকে সম্পদ চুরি করে, দখল করে, আধিপত্য বিস্তার করে, কৌশলগত ভূরাজনীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে—এখন নতুন উপায়ে করছে। বিশ্ব অর্থনী...

পঞ্চান্ন বছরে বাংলাদেশ

 পঞ্চান্ন বছরে বাংলাদেশ  দেশকে অস্থিতিশীল করার পেছনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সহযোগীদের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে; যাদের একটি অংশ বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছে। ভারত গত পনের বছরে গত সরকারের সময়ে যে সুবিধা পেয়েছে, তা পূর্ববর্তী কোনো সরকারের আমলে এত বিস্তৃত ছিল না। ভারত দেখছে তাদের নিজস্ব স্বার্থ। ওসমান হাদির ওপর আক্রমণকে নির্বাচন কমিশনার যেভাবে হালকাভাবে নিয়েছেন, তাতে তাঁর যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ভারতের তিনদিকে ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ অবস্থিত। হাসনাত আবদুল্লাহর ভারতের আধিপত্যবাদ, কৌশলগত সন্ত্রাসবাদ ও রাজনৈতিক সন্ত্রাস লালনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রশংসনীয়; কিন্তু সেভেন সিস্টার্সকে ভারতীয় মানচিত্র থেকে বাদ দেওয়ার মতো বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে উত্তেজক ও গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপের মুখে ফেলতে পারে এবং ভারত-বাংলাদেশ আঞ্চলিক দোটানা ও উত্তেজনা বাড়াতে পারে। আবেগের বশবর্তী হয়ে এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া সমীচীন নয়, যা দেশকে বড় ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। কৌশলগত বন্ধুত্ব বজায় রাখতেই হবে ভারত পেছন থেকে যতই কলকাঠি নাড়ুক না কেন। ইন্টারপোলের মাধ্যমে দণ...

লেখক ও লেখনী

 আল্লাহ তায়ালা লেখকদের কি যে মেধা দিয়ে বানিয়েছেন ভাবলেই মাথা থেকে ঘাম বের হয়। লেখকদের, সাহিত্যিকদের অসম্ভব চিন্তাশক্তি দিয়ে বানিয়ে ফেলেন জীবনের গল্প, নতুন জগৎ, তৈরি করেন বৈচিত্র্যময় বহুমাত্রিক চরিত্র, আরও কত কি।  গল্প, উপন্যাসে চরিত্রের চিত্রায়ন ও চরিত্রের মনঃস্তাত্তিকতা চিত্রায়নের বহুমাত্রিকতায় যে অসমান্য দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন লেখক সাহিত্যিকগণ তা ভাবলেই মাথা দিয়ে ঘাম ঝরে।  লেখনীশক্তির জাদুবলে সাধারণ মানুষদের ঘুমন্ত আত্মা ও চেতনার জাগরণ ঘটান। লেখনী শক্তির জাদুবলে সমাজের পরিবর্তনের ছোঁয়া আনেন। অন্যায় ও শোষণ, অসমতা,আধিপত্য, দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লেখনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে শোষকদের শান্তির ঘুম হারাম করছেন স্মরণাতীত কাল থেকে।  লেখক সাহিত্যিকদের কলমের দুতিন খোঁচায় উৎপন্ন দু তিনটি শব্দ  নিক্ষিপ্ত মিসাইলের গতির চেয়েও ক্ষিপ্রতর হয়েছে অতীতে যার ফলে পৃথিবীর বুকে অগণিত পরিবর্তন আনয়ন হয়েছে, এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতেও হবে।  ভাবতেই অবাক লাগে এত মেধা আল্লাহ তায়ালা লেখকদের সাহিত্যিকদের দিয়েছেন। লেখক সাহিত্যিকরা কলমের আঁচড়ে উৎপন্ন শব্দমালা দিয়ে আঘাত করেন বিশ্বব্যবস্থার অসুস্থ দি...