লেখক ও লেখনী
আল্লাহ তায়ালা লেখকদের কি যে মেধা দিয়ে বানিয়েছেন ভাবলেই মাথা থেকে ঘাম বের হয়। লেখকদের, সাহিত্যিকদের অসম্ভব চিন্তাশক্তি দিয়ে বানিয়ে ফেলেন জীবনের গল্প, নতুন জগৎ, তৈরি করেন বৈচিত্র্যময় বহুমাত্রিক চরিত্র, আরও কত কি।
গল্প, উপন্যাসে চরিত্রের চিত্রায়ন ও চরিত্রের মনঃস্তাত্তিকতা চিত্রায়নের বহুমাত্রিকতায় যে অসমান্য দক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন লেখক সাহিত্যিকগণ তা ভাবলেই মাথা দিয়ে ঘাম ঝরে।
লেখনীশক্তির জাদুবলে সাধারণ মানুষদের ঘুমন্ত আত্মা ও চেতনার জাগরণ ঘটান। লেখনী শক্তির জাদুবলে সমাজের পরিবর্তনের ছোঁয়া আনেন। অন্যায় ও শোষণ, অসমতা,আধিপত্য, দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লেখনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে শোষকদের শান্তির ঘুম হারাম করছেন স্মরণাতীত কাল থেকে।
লেখক সাহিত্যিকদের কলমের দুতিন খোঁচায় উৎপন্ন দু তিনটি শব্দ নিক্ষিপ্ত মিসাইলের গতির চেয়েও ক্ষিপ্রতর হয়েছে অতীতে যার ফলে পৃথিবীর বুকে অগণিত পরিবর্তন আনয়ন হয়েছে, এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতেও হবে।
ভাবতেই অবাক লাগে এত মেধা আল্লাহ তায়ালা লেখকদের সাহিত্যিকদের দিয়েছেন। লেখক সাহিত্যিকরা কলমের আঁচড়ে উৎপন্ন শব্দমালা দিয়ে আঘাত করেন বিশ্বব্যবস্থার অসুস্থ দিকগুলোকে। সারাবিশ্বে যুদ্ধবাজদের মতো মরনাস্র নামক
রক্তবন্যার বান না ছেড়ে, লেখকরা জাগ্রত চেতনার বন্যার বান পুরো বিশ্বের মানুষদের মস্তিষ্কে প্রতিস্থাপন করে বিশ্বকে শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত করেন।
লেখনী নামক সৃজনশীলতার ভয়াবহ ক্ষিপ্রতা লেখক সাহিত্যিকদের আল্লাহ তায়ালা দান করে বিশ্বসেবা করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন।