Posts

ভূমিকম্প গবেষণার মডেল

  সমাজে একটি ইস্যু সৃষ্টি হয়, আর একাডেমিক গবেষকরা সেটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। সম্প্রতি একটি ৫.১ মাত্রার রিকটার স্কেলের ভূমিকম্প ঘটেছে। গবেষণার কাঠামো নির্ধারণের জন্য প্রশ্নগুলো হতে পারে: কেন ভূমিকম্প হয়েছে? কোথা থেকে এর সূত্রপাত? টেকটোনিক প্লেট কতটুকু সরে গেছে? মাটির নমুনা কেমন? কতজন আহত বা নিহত হয়েছে? কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে? এই প্রশ্নগুলোর ভিত্তিতেই একজন গবেষক তার গবেষণাপত্র লিখবেন। ১. সমস্যা চিহ্নিতকরণ: সমাজে ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। গবেষক কেন এটিকে গবেষণার বিষয় হিসেবে বেছে নিলেন? এই ধাপ গবেষণার লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে। গবেষণার লক্ষ্য হলো ভূমিকম্পের কারণ এবং এর প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা। ২. গবেষণার প্রশ্ন নির্ধারণ: গবেষক প্রশ্নগুলো নির্বাচন করবেন: কেন ভূমিকম্প হলো, কোথা থেকে এর সূত্রপাত, টেকটোনিক প্লেট কতটুকু সরে গেছে, মাটির বৈশিষ্ট্য কেমন, কতজন আহত ও নিহত হয়েছে, এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত। ৩. রিসার্চ মেথড নির্বাচন: প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর পেতে গবেষক ডাটা কালেকশন এবং এনালাইসিসের পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। উদাহরণস্বরূপ, ভূমিকম্পের রেকর্ড, রিকটার স্কেলের মাত্রা এবং টেকটোনিক ...

উচ্চশিক্ষার পথে মানসিক অবক্ষয়"

 "উচ্চশিক্ষার পথে মানসিক অবক্ষয়" বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন অসংখ্য ছেলে-মেয়ে নতুন স্বপ্ন নিয়ে পা রাখে, কিন্তু তাদের অনেকের মানসিক পরিপক্বতা থাকে শূন্যের কাছাকাছি। কেউ মেধাবী হলে তাকে ঘিরে জন্ম নেয় ঈর্ষা; কেউ একটু মোটা বা কালো হলে শুরু হয় নির্মম বুলিং; আর যে ছাত্রটি দুর্বল, তাকে তথাকথিত "ভালো ছাত্র" পরিচয়ের বাহকরা নিজেদের গণ্ডির বাইরে ঠেলে দেয়। এত ক্ষুদ্র মানসিকতা নিয়েই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় প্রবেশ করে যা হওয়া উচিত মুক্ত চিন্তা ও মানবিকতার সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র। হিংসা কখনো মেধাবী ছাত্রকে বাধ্য করে ক্রেডিট ট্রান্সফারের পথে হাঁটতে; বডি-শ্যামিংয়ের অপমান সইতে না পেরে কেউ আত্মহত্যার মতো ভয়ানক সিদ্ধান্ত নেয়; আর দুর্বল ছাত্রটি নিজেকেই দুর্বল হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে। এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় নামের শিক্ষা-প্রাঙ্গণই হয়ে ওঠে অসহিষ্ণুতা, প্রতিযোগিতার বিষ, এবং মানসিক নির্যাতনের ক্ষেত্র। "সংকীর্ণ মানসিকতার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব" বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সংকীর্ণ মানসিকতা শুধু ক্যাম্পাসেই সীমাবদ্ধ থাকে না, কর্মজীবনেও এর গভীর প্রভাব পড়ে। ভালো ছাত্রের দায়িত্ব অনেক, কিন্তু তারা নিজেদের...

💀That Girl 💀

  💀That Girl 💀 Date: October 27, 2020 By--DEEN  SAYEEDIN Mirza Ghalib and his wife Naila Ghalib, an expatriate couple, lived in a quiet town in Pennsylvania.They had three daughters—Saira, Aira, and little Yara. Ghalib's younger brother lives in Australia with his family, and his parents are in a village in Bangladesh. Despite spending years abroad, Ghalib's parents never wanted to come abroad. To them, country means roots—a place where you can return and breathe a sigh of relief. One day, Mirza Ghalib said to Naila, "Naila, the girls have never seen our country. Maybe this time, I'll take them." Naila smiled, "That's good, but they won't wake up so early!" Ghalib smiled softly and said, "I'll handle it." 🔴The morning of the flight 🔴 It was 5:30 in the morning. The house was awakened by Ghalib's voice. "Saira, Ayra, Yara—get up, mom, the flight is at seven! Time is very short." Ayra rolled over and...

Minorities Maltreatment

 Minorities Maltreatment Where humanity’s humiliation is evident, and the triumph of bigoted brutality prevails, isn’t it? Persecution of minorities in all parts of the world by majorities is widespread to some degree. But the dimension, methods, and techniques of oppression are becoming increasingly cruel and inhuman toward minorities. The ways in which majorities adopt torture techniques against oppressed minorities are gruesome and ultimately hostile to humanity. But why does this kind of malicious, savage behavior occur toward minorities? It should be noted that minorities often lack even minimal socio-political and economic power. In their case, is there any privilege of accessing basic needs thoroughly? Minorities have no power or authority, so why do the powerful majority communities behave so brutally toward them? As usual, many questions arise in the minds of conscious observers regarding the majority’s maltreatment of oppressed minorities. It is hoped that through these q...

সুদান ও ফিলিস্তিন : টেরিটোরিয়্যাল কলোনিয়ালিজম ও ইন্ডাইরেক্ট মিলিটেন্সি

 সুদান ও ফিলিস্তিন : টেরিটোরিয়্যাল কলোনিয়ালিজম ও ইন্ডাইরেক্ট মিলিটেন্সি  সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী এবং অর্ধসামরিক বাহিনী RSF এর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। আরব আমিরাত এর RSF কে অস্ত্র ও সামরিক সাহায্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তবে তারা এটি অস্বীকার করেছে। আরব আমিরাত RSF এর কাছ থেকে যে পরিমাণ স্বর্ণ পাচ্ছে তার বদলে RSF কে সামরিক সহায়তা দিয়ে নির্বিচারে গণহত্যা চালাচ্ছে যদিও UAE তা অস্বীকার করছে। যে গণহত্যা ও দুর্ভিক্ষ সুদানে দেখা দিয়েছে তার পেছনে আরব আমিরাত পরোক্ষ সন্ত্রাস করছে। যেভাবে আমেরিকা পরোক্ষ সন্ত্রাসবাদের চর্চা করেছে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দিয়ে ফিলিস্তিনের উপর নির্বিচারে গণহত্যা অব্যাহত রাখতে।  সুদানে স্বর্ণের যে খনি রয়েছে সেই সম্পদ লুট করতে UAE যে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে RSF কে ব্যবহার করে সুদানের সাধারণ মানুষদের উপর গণহত্যা, শিশু ও নারী নির্যাতন চালাচ্ছে তা সমানুপাতিকভাবে ইসরায়েলের ফিলিস্তিনিদের উপর বর্বরোচিত গণহত্যারকে প্রতিনিধিত্ব করে। ইসরায়েল টেরিটোরিয়্যাল কলোনিয়ালিজম ও আরব আমিরাত অপরোক্ষ মিলিটেন্সি এর আশ্রয় নিয়ে সাধারণ মানুষদের রক্ত চুষছে। .মূলত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জ...