সুদান ও ফিলিস্তিন : টেরিটোরিয়্যাল কলোনিয়ালিজম ও ইন্ডাইরেক্ট মিলিটেন্সি
সুদান ও ফিলিস্তিন : টেরিটোরিয়্যাল কলোনিয়ালিজম ও ইন্ডাইরেক্ট মিলিটেন্সি
সুদানে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সেনাবাহিনী এবং অর্ধসামরিক বাহিনী RSF এর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। আরব আমিরাত এর RSF কে অস্ত্র ও সামরিক সাহায্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তবে তারা এটি অস্বীকার করেছে। আরব আমিরাত RSF এর কাছ থেকে যে পরিমাণ স্বর্ণ পাচ্ছে তার বদলে RSF কে সামরিক সহায়তা দিয়ে নির্বিচারে গণহত্যা চালাচ্ছে যদিও UAE তা অস্বীকার করছে। যে গণহত্যা ও দুর্ভিক্ষ সুদানে দেখা দিয়েছে তার পেছনে আরব আমিরাত পরোক্ষ সন্ত্রাস করছে। যেভাবে আমেরিকা পরোক্ষ সন্ত্রাসবাদের চর্চা করেছে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা দিয়ে ফিলিস্তিনের উপর নির্বিচারে গণহত্যা অব্যাহত রাখতে।
সুদানে স্বর্ণের যে খনি রয়েছে সেই সম্পদ লুট করতে UAE যে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে RSF কে ব্যবহার করে সুদানের সাধারণ মানুষদের উপর গণহত্যা, শিশু ও নারী নির্যাতন চালাচ্ছে তা সমানুপাতিকভাবে ইসরায়েলের ফিলিস্তিনিদের উপর বর্বরোচিত গণহত্যারকে প্রতিনিধিত্ব করে। ইসরায়েল টেরিটোরিয়্যাল কলোনিয়ালিজম ও আরব আমিরাত অপরোক্ষ মিলিটেন্সি এর আশ্রয় নিয়ে সাধারণ মানুষদের রক্ত চুষছে।
.মূলত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য UAE এর পরোক্ষ ষড়যন্ত্র আর RSF কে ব্যবহার
ফলাফল : দুর্ভিক্ষ,গণহত্যা
.মূলত টেরিটোরিয়্যাল কলোনিয়াল এ আমেরিকার ইসরায়েলকে ইন্ধন
ফলাফল : মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা, আমেরিকার অস্ত্র ব্যবস্যা ও পুঁজির দীর্ঘস্থায়ী সংস্থান ও ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও দুর্ভিক্ষ।
উপরোক্ত ঘটনাসমূহ ঘটনাপ্রবাহের বিশ্লেষণের চূড়ান্ত ফলাফল : যুক্তরাষ্ট্র ও ইউনাইটেড আরব আমিরাত নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ইসরায়েল ও আর এস এফ কে ব্যবহার করে ফিলিস্তিন ও সুদানের সাধারণ জনগণের রক্ত চুষছে।
©দ্বীন সাঈদীন