গবেষণায় অলটারনেটিভ মেথডের বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি কিভাবে পাবে এবং এটি পরবর্তীতে নতুন গবেষকগণ কিভাবে ব্যবহার করতে পারবেন?
গবেষণায় অলটারনেটিভ মেথডের বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি কিভাবে পাবে এবং এটি পরবর্তীতে নতুন গবেষকগণ কিভাবে ব্যবহার করতে পারবেন?
আমরা সাধারণত স্বীকৃত মেথডে রিসার্চ করি। সাধারণত
🔴ডকুমেন্টস,
🔴 অবজারভেশন,
🔴 এক্সপেরিমেন্টাল(ট্রু ও কোয়াসি)
🔴 সার্ভে, অথবা
🔴নমিনাল গ্রুপ টেকনিক ও ডেলফি (গবেষকের মতামত নেয়া ফিক্সড কোশ্চেনিয়ার এর মাধ্যমে)
🔴মিক্সড মেথডে (কোয়ালিটিটিভ ও কোয়ান্টটিটিভ)–ডাটা কালেকশন ও অ্যানালাইসিস করে গবেষণার কাঠামো দাঁড় করাই। কিন্তু আনএক্সপ্লোরড টপিকগুলোর উপর রিসার্চ করার সুযোগ প্রদান করে অলটারনেটিভ মেথড।
যাইহোক, অলটারনেটিভ মেথডে ডাটা কালেকশন ও অ্যানালাইসিস করে তারপর কোশ্চেনিয়ার, থিওরি ও রেফারেন্সের সমন্বয়ে আপনার পেপারের ডিসকাশন সেকশনে এন্সার ডেভেলপ করা যায়। কিন্তু আপনার পেপারের ডেটা যে ভ্যালিড কিনা তা নিশ্চিত হবে যদি আপনার অলটারনেটিভ মেথডটি বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পায়। কিভাবে স্বীকৃতি পাবে?
আপনি আপনার পেপার হাই-ইনডেক্সডকৃত(Scopus, Web of Science,
PubMed,DOAJ,Springer; Tailor and Francis Wiley Online Library)কোন স্বীকৃত পিয়ার রিভিউ ও DOI স্বীকৃত কোনো জার্নালে সাবমিট করুন। যদি এডিটোরিয়াল বোর্ড ও রিভিউয়ারগণ মনে করেন এটি স্বীকৃত, তাহলে আপনার মেথডটি বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি পাবে–যা নতুন গবেষকদের গবেষণাকে আরো সহজ করে দিবে। প্রচলিত মেথড থেকে বেরিয়ে গবেষকগণ স্বাধীনভাবে গবেষণা এক্সিকিউশন করতে পারবেন।
ধরুন, এন্টার্কটিকার কোনো একটি প্রাণীর ইকোসিস্টেম বুঝতে আপনি প্রচলিত মেথড ব্যবহার করতে পারবেন না। আনকনভেনশনাল টুলস ও টেকনিক্স আপনাকে কাজে লাগাতে হবে।
প্রায়ই দেখবেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফি, ডিসকভারি, এনিমাল প্ল্যানেট চ্যানেলগুলোতে যেসব গবেষকগণ ডকুমেন্টারি করেন, তারা টেকনোলজিক্যাল টুলস ব্যবহার করেন ডাটা কালেকশন এর জন্য, যা কনভেনশনাল মেথডগুলোতে হয় না।
এখানে নতুন প্রযুক্তি যেমন:
🔴ড্রোন,
🔴রেকর্ডেড ক্যামেরা,
🔴সাউন্ড রেকর্ডিং ডিভাইস,
ব্যবহার করে তারা তাদের ডকুমেন্টারির ডাটা কালেকশন করেন, যা গবেষণার প্রচলিত মেথডকে চ্যালেঞ্জ করে।সুতরাং, অলটারনেটিভ মেথডের বিকল্প নেই।
©দ্বীন সাঈদীন