প্রাগমেটিক রিসার্চ বনাম মেটাফিজিক্যাল রিসার্চ"
"প্রাগমেটিক রিসার্চ বনাম মেটাফিজিক্যাল রিসার্চ"
আত্মা ও ডার্ক এনার্জির রহস্য প্রমাণ করে যে, হয়তো একজন মহাবিজ্ঞানময় স্রষ্টা আছেন। বিজ্ঞান এখনও আত্মা ও ডার্ক এনার্জির প্রকৃতিকে সম্পূর্ণভাবে বুঝতে পারছে না। যদিও মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের উপর কিছু অবজারভেশনাল গবেষণা চালিয়েছে যা চেতনাগত অভিজ্ঞতার সম্ভাবনা দেখিয়েছে। আর ডার্ক এনার্জির প্রকৃতি কিছুটা বুঝা যায় গ্রেভিটেশনাল ফোর্স, মহাবিশ্বের এক্সপেনশন ও কসমিক মাইক্রোওয়েভ ব্যাকগ্রাউন্ড অবজারভেশন এর উপর।
স্টিফেন হকিং ২০১০ সালে বলেছিলেন, "মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করতে আমাদের আর ঈশ্বরের প্রয়োজন নেই। মহাবিশ্ব নিজেই জন্ম নেয়।"
হকিং বিশ্বাস করতেন যে বিগ ব্যাং, সিংগুলারিটি, ল অব ফিজিক্স, জেনারেল রিলেটিভিটি এবং কোয়ান্টাম ফিজিক্সের সংমিশ্রণে মহাবিশ্ব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ফিজিক্সের দৃষ্টিকোণ থেকে মহাবিশ্বের সৃষ্টিকে বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি মূলত একজন প্রাগম্যাটিক গবেষক ছিলেন।
তিনি কি আত্মা ও ডার্ক এনার্জির অস্তিত্বকে ফিজিক্স, গণিতের নিয়ম, কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং প্রাগম্যাটিক রিসার্চ মেথডোলজি দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারতেন?
ডার্ক এনার্জি ও আত্মার বিজ্ঞানের রহস্যকে তিনি হয়তো ম্যাথমেটিক্স, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, স্ট্যাটিসটিক্স এবং প্রাগম্যাটিক গবেষণা-পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করতেন।
কিন্তু ইনফিনিটিকে বোঝা ও তার পূর্ণ ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে হলে হয়তো তাকে শত কোটি আলোকবর্ষ বাঁচতে হতো। তবুও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে হয়তো ডার্ক এনার্জির রহস্য উন্মোচন করতে পারতেন কিন্তু মেটাফিজিক্যাল রিসার্চ মেথডোলজি তিনি কিভাবে ডিজাইন করে আত্নার প্রকৃতি বুঝার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতেন?
©দ্বীন সাঈদীন।