টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল, সেম্পল সাইজ ও গবেষণার নৈতিকতা

 

টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল, সেম্পল সাইজ ও গবেষণার নৈতিকতা

ডাটা কালেকশন নির্ভর করে টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল এর উপর। আপনার টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল কে সেটা যথাযথভাবে সিলেক্ট করে আপনার ডাটা কালেকশন প্রসেস শুরু করতে হবে। তবে সেম্পল ১০০ থেকে ১৫০ এর মধ্যে নূন্যতম রাখতে হবে নয়তো রিসার্চের রেজাল্ট গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে ফলে গবেষণার ভেলেডিটি ও রিলাইএবিলিটি বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।

যাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র একটি পেপার লেখা তারা সেম্পল সাইজ ২০ থেকে ২৫ জনের উপর করে গবেষণায় সিদ্ধান্তে এসে পড়েন যা গবেষণা ও গবেষণাপত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ কর সেখানে গবেষণার বৈধতা ও নির্ভরতা গ্রহণযোগ্যতা হারায় যাকে রিসার্চ বলা যায় না। আপনি রিসার্চের মেথডোলজি ও রিসার্চ এথিকস এর বাইরে যেয়ে প্রিডেটরি জার্নালে পেপার পাবলিশ করে রিসার্চের নৈতিকতা ভঙ্গ করতে পারেন না।

আমেরিকা অনেক কোয়ানটিটেটিভ রিসার্চ করে সেম্পল সাইজ ১০০-১৫০ এর মধ্যে যা পুরো পোপোলেশন কে প্রতিনিধিত্ব করে না। ছোট সেম্পল সাইজ দিয়ে কখনো পুরো পপুলেশন কে কভার করাও গবেষণার ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

অনেক সময় দেখা যায় টার্গেটেট গ্রুপ অব পিপল খুবই সেনসেটিভ হওয়ায় ডাটা কালেকশন করা জটিল হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে, যারা কোশ্চেনিয়ার ডিস্ট্রিবিউশন এ জেনারেলাইজেবিলিটি প্রয়োগ করেন আপনার ডাটা কালেকশন যথাযথ হবে না, ফলে গবেষণার ফলাফল সঠিক হবে না। প্রয়োজনে ভিন্ন রিসার্চ মেথড এপ্লাই করুন যেমন ইন্টারভিউ, কেস স্ট্যাডি, অবজারভেশন, নোমিনাল গ্রুপ টেকনিক,ডেলফি ইত্যাদি।

মনে রাখবেন, একটি পেপার লেখা কৃতিত্ব নয়, গবেষণার নৈতিকতা বজায় রাখা একজন গবেষকের প্রধান দায়িত্ব।

© দ্বীন সাঈদীন

Popular posts from this blog

Mental Sickness

E-learning

Imperialism VS Terrorism

At Sixes And Sevens

Bilateral Coherence and Dissonance Relationship between Western and Bangladeshi Culture

Mentalism:07

Shrewdness

Oppression upon Women Folks