Posts

Academic Content and Social Media Algorithms: Where is the Conflict?

 Academic Content and Social Media Algorithms: Where is the Conflict?  A recent experience has brought this question to the forefront. When publishing a post on an academic topic, Facebook reported that its system had flagged multiple attempts to post within a short period of time as spam. The post was an academic cautionary tale about a predatory journal, but the algorithm had no value for that relevance. Social media algorithms primarily analyze behavior, not the quality or relevance of the content. Attempts to post multiple times within a certain period of time are automatically marked as suspicious. The type of content is not taken into account in this process. The main problem is structural. Major social media platforms, including Facebook, Twitter, and LinkedIn, are primarily driven by the goal of increasing user engagement. Viral content and quickly consumed posts are prioritized by these algorithms. Academic discussions, critical analysis, and long research-based writi...

ইমপোস্টর সিনড্রোম' বা 'স্টোয়িক দর্শন বনাম সফলতা

 ইমপোস্টর সিনড্রোম' বা 'স্টোয়িক দর্শন বনাম সফলতা  জীবনে যারা সুযোগ ও সাফল্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে দূরে ঠেলে দেয়, তারা অনেক সময় 'ইমপোস্টর সিনড্রোম' বা 'স্টোয়িক দর্শনের' প্রভাবাধীন মানসিকতার অধিকারী হয়ে থাকে। এদের মনে সবসময় নিজের যোগ্যতা নিয়ে সংশয় এবং বাহ্যিক সফলতার প্রতি একধরনের নিরাসক্তি কাজ করে। ফলে, এদের অভিভাবকেরা সন্তানদের ভবিষ্যৎ বলে কিছু দেখতে পান না কারণ তারা কনভেশনাল সফলতার কোনও স্পষ্ট ছক খুঁজে পান না। যখন পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের সামাজিক অবস্থানকে সুদৃঢ় করে তোলে, তখন এই সন্তানেরা নিজের যোগ্যতা, নীতি ও আদর্শ নিয়ে নিঃশব্দ এক বিবেচনায় মগ্ন থাকে। তারা যেন প্রতিযোগিতার বাইরে দাঁড়িয়ে জীবনকে এক ভিন্ন চেতনায় পরিমাপ করে। আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপটে এই আর্দশ নিয়ে চললে তাকে দুর্বিষহ জীবনযাপন করতে হবে।সমাজ কাঠামোর বাস্তবতার চাহিদার চাপে এ আর্দশ ধরে রাখা অসম্ভব। ©

সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্সটেন্ট জাজমেন্ট

 সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্সটেন্ট জাজমেন্ট আমি গত পাঁচ বছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছি। এই ভার্চুয়াল জগতে মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছি। লক্ষ্য করেছি, অনেকেই আছেন যারা কারো ফার্স্ট ইমপ্রেশন দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকে ফলো করেন; আবার হঠাৎ একদিন আনফলো বা ব্লক করে দেন। এই তড়িৎ মানসিকতাই আমাদেরকে বারবার ভুল পথে নিয়ে যায়। একজন মানুষকে শুধু প্রথম দেখায় মূল্যায়ন করবেন না। আগে তার ব্যক্তিত্ব, দৃষ্টিভঙ্গি, এবং মানসিকতা আপনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা বোঝার চেষ্টা করুন। ইন্সটেন্ট জাজমেন্ট তা যতই ক্ষণিকের হোক না কেন প্রায়শই দীর্ঘস্থায়ী ভুলের জন্ম দেয়। এবং যদি আপনি কাউকে অপছন্দও করেন, তাহলেও তাকে অসম্মান করা কখনোই শোভন নয়। মানুষকে বুঝতে সময় দিন, ধৈর্য ধরুন। সাহিত্যে এর প্রতিচ্ছবি বারবার এসেছে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিলাসী গল্পে ন্যাড়া চরিত্রের এক সদ্য বিধবা আত্মীয়া, স্বামীর লাশের পাশে একা থাকতে ভয় পেয়ে বলে ওঠে, "ওরে বাপরে! আমি একলা থাকতে পারব না!"— এই বাক্যটিতে শুধু তার ভয় নয়, বরং তার ভেতরের দ্বিচারিতা ও মানসিক দুর্বলতার ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কিত হয়েছে। যদি তার স্বামী জীবিত থাকতেন,...

Attention Economy

 We live in an attention economy, where our attention is the most valuable commodity. Its influence is so profound that it is almost impossible to be completely outside of it. Whatever is shared on social media, the effort to attract and retain people's attention, that is, attention capture, is a key factor. In this reality, staying away from social media or severely limiting its use is one of the most effective ways to reduce the impact of the attention economy.

হতাশা

 গত সতেরো বছরে দেশকে যত বুঝার চেষ্টা করেছি ততটাই হতাশ হতে হয়েছে। ​দেশীয় কোনো অধ্যাপক যদি একটি স্টেটমেন্ট দেন তার কাউন্টার আর্গুমেন্ট হিসেবে আরো তিন জন অধ্যাপক সে বিষয়ে কথা বলেন। কাউন্টার আর্গুমেন্ট দিতেই পারেন কিন্তু গঠনমূলক দিতে গিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ হয়ে যায়। এটা কি সুস্থ জাতি গঠনের পরিচায়ক? প্রশ্নের চক্রে ঘুরপাক!!! ​দেশে মন্ত্রীগণের গত সাত বছরের পর্যবেক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজ যেভাবে শাহবাগ, পল্টন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে 'ভুয়া' স্লোগান দেন ও ক্ষিপ্ত হন ও মিছিল ও সমাবেশ করেন –তা কি উড়িয়ে দেয়া যায় না? ​'রাজাকার' শব্দের উচ্চারণগত ও অতি আত্নবিশ্বাসী ও আত্নঅহমিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শোচনীয় পতনের মাধ্যমে যে জুলাই বিপ্লব হল তার প্রেক্ষাপটে ঐ চেতনার প্রতিফলনও লজ্জিত। উঠে এল নতুন দল ও ক্ষমতার পালাবদল। অথচ তাদের কোটামুক্ত মেধার ভিত্তিতে মেধাভিত্তিক কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হবার কথা ছিল। জুলাই বিপ্লবের উপর থিসিস কপি আজও পাবলিশ করতে পারলাম না। ​জনগণের উন্মাদনা যে দলকে নিয়ে শুরু হয় কিছুদিন পর আবার সে দলকে দোষ দেয়া ও শপার সংস্কৃতি প্র...