Posts

গবেষণায় বিভিন্ন মেথড

  গবেষণায় বিভিন্ন মেথড Different Methods  Historical methods : আপনি যখন কোনো বিষয়ে গবেষণা করবেন তখন অতীত কোনো ঘটনা ও তথ্য নির্ভরযোগ্য উৎস(সরকারি নথি,প্রত্যক্ষদর্শীর ডাইরী,সংবাদপত্র ) থেকে যাচাই করার পদ্ধতিকে  historical method বলে। যেমন : ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা অনুসন্ধান historical method. Literature review :  যে বিষয়ে গবেষণা করতে চাচ্ছেন, সে বিষয় সম্পর্কিত অনলাইন জার্নাল, থিসিস, ডিসারটেশন, ই-বুক, গবেষণা পেপার ইত্যাদি বিদ্যমান সাহিত্যসমূহ পদ্ধতিগতভাবে পর্যালোচনা করে–সেগুলোর শক্তিশালী দিক, সীমাবদ্ধতা, মেথডোলজিক্যাল ও থিওরেটিকাল গ্যাপ চিহ্নিত করা এবং সেই গ্যাপের ভিত্তিতে নিজ গবেষণার নতুনত্ব ও অবস্থান নির্ধারণ করার প্রক্রিয়াকে Literature Review বলা হয়। সাধারণত কোয়ালিটিভ ও কোয়ানটিটেটিভ ও মিক্সড মেথড রিসার্চে literature review method প্রয়োজন। Meta Analysis:  Meta Analysis: মেটা-এনালাইসিস হলো একটি পরিসংখ্যানগত পদ্ধতি, যা স্বাধীন গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে তাদের মধ্যে মিল, পার্থক্য ও সামগ্রিক প্রভাব নির্ধারণ করে। এটি সিস্টেমেটিক রিভিউ এর সাথে সম্পর্কিত। উল্লেখ্য,...

Sufism and Islam: Are They in Conflict?

 Sufism and Islam: Are They in Conflict? Abstract  Many people think Sufism goes against Islam, but that isn’t true. Real Sufism is about getting closer to Allah and improving yourself spiritually. It follows the Quran and Sunnah. This article looks at how some practices in South Asia have distorted Sufism, and why the original form of Sufism actually fits perfectly with Islam. How This Article Was Written I started with a simple question: “Do Sufism and Islam clash?” Then I looked at the Quran and Hadith for guidance. The focus is on understanding the ideas, not just listing rules. True Sufism and Islam Work Together Sufism is not separate from Islam. The first Sufis, like Junaid Baghdadi, always followed the Quran and Sunnah. For them, Sufism meant cleaning the heart, being humble, and obeying Allah–not creating new rituals. Direct Relationship With Allah In Islam, every person can connect with Allah directly. You don’t need a Pir or a spiritual guide as a middleman. Thinkin...

আলিফ-লাম-মিম

  আলিফ-লাম-মিম (এক রহস্যময় বিজ্ঞান লুকিয়ে আছে এ তিন হরফের মাঝে)। আট বছর ধরে প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি, এই হরফে মুকাত্তাআত এর মাঝে আমার বারবার পরমাণুর বন্ধনী মাথায় আসে। এটি কি একটি অণু যাতে যাতে তিনটি পরমাণু রয়েছে যারা আণবিক বন্ধনে আবদ্ধ আর এর অর্থ একমাত্র মহান আল্লাহ জানেন। নাকি কোন ত্রিমাত্রিক প্রিজম এই তিন হরফের আকৃতি? আলিফে এক আলিফ ,লাম ও মিম উচ্চারণে তিন আলিফ পরিমাণ টান মানে সংখ্যা সাত–আর মহান আল্লাহ বিজোড় সংখ্যা পছন্দ। কি সেই রহস্যময় বিজ্ঞান মৃত্যুর আগে কি উত্তর মিলবে!মহান আল্লাহই এর উত্তর ভালো জানেন, আমি তো তাঁর নগণ্য বান্দা।

ইসলাম, সোশ্যাল সায়েন্স ও বায়োলজির আলোকে লিঙ্গবৈষম্য ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা

  ইসলাম, সোশ্যাল সায়েন্স ও বায়োলজির আলোকে লিঙ্গবৈষম্য ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা সমাজে স্তরভেদে মতামত ভিন্ন হবে। যেটা গ্রহণযোগ্য সেটা গ্রহণ করা উচিত। সব মতামত তো গ্রহণযোগ্য হবে না, তাই বলে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ অনুচিত। অন্যের মতামত ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রতি সম্মানকে অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। লিঙ্গবৈষম্য একটি সোসাইটি-সৃষ্ট বৈষম্যমূলক অবস্থার একটি রূপ।পবিত্র কুরআনের আয়াতগুলো পড়েন যেখানে বলা হয়েছে, "নারী পুরুষ একে অপরের পরিপূরক।" (সূরা বাকারা, আয়াত: ২:১৮৭) তাহলে সমাজে লিঙ্গবৈষম্যের প্রশ্ন ওঠার কারণ কী?সমাজে প্রতিষ্ঠিত একজন নারী যখন তাঁর মতামতের জন্য সমাজের দ্বারা প্রশ্নবিদ্ধ হন তখন সমাজ কি পবিত্র কুরআনের এ আয়াত পড়েনি? পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাওবা বলা হয়েছে, "মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী একে অপরের বন্ধু (অভিভাবক/সহযোগী)।" (সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৯:৭১)।ইসলাম সমতার ভারসাম্যে বিশ্বাস করে। তেমনি নারীবাদ যেন পুরুষ নির্যাতনের কারণ না হয় তাও আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় অন্যতম সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত। তৃতীয় লিঙ্গ কোনো অভিশাপ নয়, জন্মগত বৈচিত্র্য। তাঁদের XXY বা XO ক্রোমোজম ও হরমোনাল...

লিঙ্গ বৈষম্য ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা বনাম ইসলাম

 লিঙ্গবৈষম্য ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা: ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সমাজে স্তরভেদে মতামত ভিন্ন হবে। যেটা গ্রহণযোগ্য সেটা গ্রহণ করা উচিত। সব মতামত তো গ্রহণযোগ্য হবে না, তাই বলে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণের পক্ষপাদী না হওয়া অন্যের মতামত ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রতি সম্মানকে অক্ষুণ্ন রাখে। লিঙ্গবৈষম্য একটি সোসাইটি সৃষ্টি বৈষম্যমূলক অবস্থার একটি রূপ। আপনি পবিত্র কুরআনের আয়াতগুলো পড়েন যেখানে বলা হয়েছে "নারী পুরুষ একে অপরের পরিপূরক।" (সূরা বাকারা, আয়াত: ২:১৮৭) তাহলে সমাজে লিঙ্গবৈষম্যের প্রশ্ন উঠে কেন? একজন অধ্যাপিকা তাঁর মতামতের জন্য কেন সমাজের দ্বারা প্রশ্নবিদ্ধ হবে? হে, তাঁর দায়িত্বের সহিত সংযতভাবে বিষয়টি তুলে ধরা। আর যারা তাঁকে আক্রমণ করছেন নারী হবার জন্য, তাঁরা কি এই আয়াত পড়েছেন যে পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাওবা বলা হয়েছে, "মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারী একে অপরের বন্ধু (অভিভাবক/সহযোগী)।" ---সূরা আত-তাওবা, আয়াত ৯:৭১ যারা আমাদের মা, বোনদের একপাক্ষিক সৃষ্ট বৈষম্যমূলক লেন্স দিয়ে তাঁদের বিচার করেন, এটা তাদের ইসলাম সম্পর্কে জানার অভাব থেকে করে হয়তো সচেতনভাবে বা অবচেতনভাবে একপাক্ষিক পুরুষতান্ত্...