Posts

Analyzing Brain Tumor Recurrence: Using Case Study and Purposive Sampling"

 "Analyzing Brain Tumor Recurrence: Using Case Study and Purposive Sampling" Brain tumor can recur. Cognitive abilities may then be significantly affected. Vision can also be impaired; in several cases, blindness may occur. Brain tumor is such a severe disease that it can return even after treatment and initial recovery. If any neurologist considers a brain tumor patient as a purposive sample, he can easily identify the similar causes of tumor recurrence. Symptoms and causes, including severe headache, loss of eyesight, memory loss, nerve weakness, and behavioral changes, become similar after the tumor recurs. Eventually, a neurologist sheds light on MRI results and suggests that his patient undergo the test. Particularly, he uses a fixed design strategy and purposive sampling strategy to collect data. Subsequently, the result of his research will be valid and reliable. Based on dependent variables like headache, loss of eyesight, memory loss, nerve weakness, and behavioral c...

সাইকোলজি ও বিহেভিয়ার সায়েন্সের ইন্টিগ্রেশন

 সাইকোলজি ও বিহেভিয়ার সায়েন্সের ইন্টিগ্রেশন  হিউম্যান সাইকোলজি নিয়ে আগ্রহ ব্যাপক। প্রতিটি মানুষ যেন একটি স্যাম্পল, যাদের আচরণ, গতিবিধি, আবেগের বহিঃপ্রকাশ পর্যবেক্ষণ এবং তা বিশ্লেষণ যে ফলাফল প্রদান করে তা যেন পর্যবেক্ষকের চিন্তার জগতে নতুন তথ্য ইনপুট করে। প্রতিটি মানুষ জীবন্ত ডাটাসেট, আর আচরণকে অবজারভেশনাল ভেরিয়েবল, আবেগকে ইন্টারনাল স্টেট ভেরিয়েবল, সিদ্ধান্তকে কগনিটিভ ভেরিয়েবল হিসেবে ধরে এসব ভেরিয়েবলগুলোকে ফিল্ড হিসেবে স্প্রেডশিটে ইনসার্ট করে পারপোসিভ স্যাম্পলিংয়ের মাধ্যমে ডাটা কালেকশন করে তা এনালাইসিস করলে মনুষ্য মনোজগতের নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যাবে। ফলে হিউম্যান সাইকোলজি ও বিহেভিয়ার সায়েন্সের বিচিত্রতা সহজে বোঝা যাবে। ©দ্বীন সাঈদীন

ভূমিকম্প গবেষণার মডেল

  সমাজে একটি ইস্যু সৃষ্টি হয়, আর একাডেমিক গবেষকরা সেটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। সম্প্রতি একটি ৫.১ মাত্রার রিকটার স্কেলের ভূমিকম্প ঘটেছে। গবেষণার কাঠামো নির্ধারণের জন্য প্রশ্নগুলো হতে পারে: কেন ভূমিকম্প হয়েছে? কোথা থেকে এর সূত্রপাত? টেকটোনিক প্লেট কতটুকু সরে গেছে? মাটির নমুনা কেমন? কতজন আহত বা নিহত হয়েছে? কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে? এই প্রশ্নগুলোর ভিত্তিতেই একজন গবেষক তার গবেষণাপত্র লিখবেন। ১. সমস্যা চিহ্নিতকরণ: সমাজে ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। গবেষক কেন এটিকে গবেষণার বিষয় হিসেবে বেছে নিলেন? এই ধাপ গবেষণার লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে। গবেষণার লক্ষ্য হলো ভূমিকম্পের কারণ এবং এর প্রভাব ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা। ২. গবেষণার প্রশ্ন নির্ধারণ: গবেষক প্রশ্নগুলো নির্বাচন করবেন: কেন ভূমিকম্প হলো, কোথা থেকে এর সূত্রপাত, টেকটোনিক প্লেট কতটুকু সরে গেছে, মাটির বৈশিষ্ট্য কেমন, কতজন আহত ও নিহত হয়েছে, এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত। ৩. রিসার্চ মেথড নির্বাচন: প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর পেতে গবেষক ডাটা কালেকশন এবং এনালাইসিসের পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। উদাহরণস্বরূপ, ভূমিকম্পের রেকর্ড, রিকটার স্কেলের মাত্রা এবং টেকটোনিক ...

উচ্চশিক্ষার পথে মানসিক অবক্ষয়"

 "উচ্চশিক্ষার পথে মানসিক অবক্ষয়" বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিদিন অসংখ্য ছেলে-মেয়ে নতুন স্বপ্ন নিয়ে পা রাখে, কিন্তু তাদের অনেকের মানসিক পরিপক্বতা থাকে শূন্যের কাছাকাছি। কেউ মেধাবী হলে তাকে ঘিরে জন্ম নেয় ঈর্ষা; কেউ একটু মোটা বা কালো হলে শুরু হয় নির্মম বুলিং; আর যে ছাত্রটি দুর্বল, তাকে তথাকথিত "ভালো ছাত্র" পরিচয়ের বাহকরা নিজেদের গণ্ডির বাইরে ঠেলে দেয়। এত ক্ষুদ্র মানসিকতা নিয়েই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজায় প্রবেশ করে যা হওয়া উচিত মুক্ত চিন্তা ও মানবিকতার সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র। হিংসা কখনো মেধাবী ছাত্রকে বাধ্য করে ক্রেডিট ট্রান্সফারের পথে হাঁটতে; বডি-শ্যামিংয়ের অপমান সইতে না পেরে কেউ আত্মহত্যার মতো ভয়ানক সিদ্ধান্ত নেয়; আর দুর্বল ছাত্রটি নিজেকেই দুর্বল হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে। এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় নামের শিক্ষা-প্রাঙ্গণই হয়ে ওঠে অসহিষ্ণুতা, প্রতিযোগিতার বিষ, এবং মানসিক নির্যাতনের ক্ষেত্র। "সংকীর্ণ মানসিকতার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব" বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সংকীর্ণ মানসিকতা শুধু ক্যাম্পাসেই সীমাবদ্ধ থাকে না, কর্মজীবনেও এর গভীর প্রভাব পড়ে। ভালো ছাত্রের দায়িত্ব অনেক, কিন্তু তারা নিজেদের...

💀That Girl 💀

  💀That Girl 💀 Date: October 27, 2020 By--DEEN  SAYEEDIN Mirza Ghalib and his wife Naila Ghalib, an expatriate couple, lived in a quiet town in Pennsylvania.They had three daughters—Saira, Aira, and little Yara. Ghalib's younger brother lives in Australia with his family, and his parents are in a village in Bangladesh. Despite spending years abroad, Ghalib's parents never wanted to come abroad. To them, country means roots—a place where you can return and breathe a sigh of relief. One day, Mirza Ghalib said to Naila, "Naila, the girls have never seen our country. Maybe this time, I'll take them." Naila smiled, "That's good, but they won't wake up so early!" Ghalib smiled softly and said, "I'll handle it." 🔴The morning of the flight 🔴 It was 5:30 in the morning. The house was awakened by Ghalib's voice. "Saira, Ayra, Yara—get up, mom, the flight is at seven! Time is very short." Ayra rolled over and...