Posts

ফিক্সড ও ফ্লেক্সিবল রিসার্চ ডিজাইন ইন কোয়ানটিটেটিভ ও কোয়ালিটিটিভ রিসার্চ

 ফিক্সড ও ফ্লেক্সিবল রিসার্চ ডিজাইন ইন কোয়ানটিটেটিভ ও কোয়ালিটিটিভ রিসার্চ ✅কোয়ানটিটেটিভ ও কোয়ালিটেটিভ রিসার্চ ডিজাইন করার জন্য দুই ধরনের মেথড রয়েছে। একটি হচ্ছে ফিক্সড রিসার্চ ডিজাইন এবং অন্যটি ফ্লেক্সিবল রিসার্চ ডিজাইন। 🔴 ফিক্সড রিসার্চ ডিজাইন এপ্রোচ কোয়ানটিটেটিভ রিসার্চের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 🔴 ফিক্সড রিসার্চ ডিজাইন এপ্রোচে সমগ্র পরিকল্পনা, কাঠামো, প্রক্রিয়া ও ডেটা কালেকশন শুরু করার পূর্বেই পূর্বনির্ধারিত থাকে। 🔴 এই এপ্রোচ খুবই কাঠামোগত ও নির্ধারিত থাকে, বিধায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকে না। 🔴 গবেষক শুরু থেকেই খুব প্রোঅ্যাকটিভ থাকেন কী স্টাডি করতে হবে এবং কোন জায়গায় বেশি ফোকাস করতে হবে তা নির্ধারণ করেন। 🔴 পুরো গবেষণা এমন স্ট্রাকচার ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয় যে, গবেষক গবেষণা পরিচালনার মাঝপথে তা পরিবর্তন করতে পারেন না। 🔴 কোশ্চেনিয়ারের উত্তর পেতে সার্ভে-বেসড মেথড যেমন কোশ্চেনিয়ার, ইন্টারভিউ ও স্ট্যান্ডার্ডাইজড স্কেল ব্যবহৃত হয়। ✅ ফ্লেক্সিবল রিসার্চ ডিজাইন কোয়ালিটেটিভ রিসার্চে ব্যবহৃত হয়। এখানে গবেষণার অগ্রগতির সময় রিসার্চ কোশ্চেন ও মেথড পরিবর্তন করা যায়, যা ডেটা কালেকশন প্রক্রিয়...

মৌলিক চিন্তা

 নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, টমাস আলফা এডিসন,স্টিভ জবস তাঁদের সৃষ্টিকর্ম ও আবিষ্কার আজ পোস্টডক্টরাল গবেষণার বিষয়, অথচ তাঁরা নিজেরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন সম্পূর্ণ করতে পারেননি!!! মৌলিক চেতনা থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের কাঠামো গড়ে ওঠে; আর সেই কাঠামোকেই ভিত্তি করে গড়ে ওঠে ডিগ্রি অর্জনের প্রতিযোগিতা ও বৈশ্বিক শিক্ষাবাণিজ্যের বিস্তার। ©

থিওলজি ও সায়েন্স

  থিওলজি ও সায়েন্স একে অপরের সংঘর্ষমূলক নয়; বরং তারা একে অপরকে পরিপূরক করতে পারে, কারণ ধর্মতত্ত্ব জীবনের অর্থ ও নৈতিক দিক দেয়, আর বিজ্ঞান বাস্তবতার তথ্য ও প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে। অন্যদিকে, এথেইজম ও স্যাকুলারিজম ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যদিও সায়েন্সের সঙ্গে তারা সরাসরি বিরোধে নেই। প্রাগমেটিজম ধর্মীয় বা বিজ্ঞানভিত্তিক দাবিকে কার্যকারিতা ও ফলাফলের দিক থেকে বিচার করে, তাই এটি কোনো ধর্ম বা বিজ্ঞানকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে না। ডার্ক ম্যাটার, ব্ল্যাক হোল এবং ওয়ার্মহোলের বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যগুলি ধর্ম বা atheistic দর্শনের সঙ্গে সরাসরি বিরোধ সৃষ্টি করে না, তবে এই তত্ত্বগুলি আমাদের দার্শনিক ও বিশ্বদর্শনগত বোঝাপড়াকে সমৃদ্ধ করতে পারে।

মিডিয়া

 মিডিয়া আজ নারীর সৌন্দর্য, মেধা ও সৃজনশীলতাকে ক্ষমতায়নের নামে প্রচার করলেও বাস্তবে অনেক সময় সেটাই নারীর বাণিজ্যিক শোষণের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। একদিকে নারীর দেহ ও প্রতিভাকে পণ্যে পরিণত করা হয়, অন্যদিকে দর্শকদের মনস্তত্ত্বকে সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তৈরি করা হয় বাণিজ্যিকরণের চাহিদা ও ফাঁদ। যেখানে লাভই মূল লক্ষ্য, সেখানে নারীর মর্যাদা ও ব্যক্তিসত্তা ক্রমেই আড়ালে পড়ে যায়।

গর্দভ

  সুবিধাবাদীদের বিএনপি প্রীতি বেড়ে যাচ্ছে ১০৮° স্ফুটনাঙ্কের মতো যা খালোদা জিয়া থেকে জায়মা রহমান পর্যন্ত পৌঁছেছে, যার মাধ্যমে ফেমিলিয়াল ডায়নেস্টি পলিটিক্সের গলনাংকে গলবে আবার দেশ যেমন গলেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সময়। আবার তথাকথিত জুলাই বিপ্লবের মতো পরবর্তী বিপ্লব এসে ভণ্ড বাঙালির দেশপ্রেম লাভার স্ফুটনাংকের মাত্রাকে ছাড়াবে আর পুঁথিগথ গর্দভ কুলাঙ্গার বুদ্ধিজীবীদের রিসার্চ পেপারে ভরে যাবে একাডেমিয়া,রিসার্চ গেট আর প্রিডেটরি জার্নালগুলোর রমরমা বিজনেস আর এভাবেই এগুতে থাকবে গর্দভ কুলাঙ্গার বাঙালি।