Posts

মিডিয়া

 মিডিয়া আজ নারীর সৌন্দর্য, মেধা ও সৃজনশীলতাকে ক্ষমতায়নের নামে প্রচার করলেও বাস্তবে অনেক সময় সেটাই নারীর বাণিজ্যিক শোষণের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। একদিকে নারীর দেহ ও প্রতিভাকে পণ্যে পরিণত করা হয়, অন্যদিকে দর্শকদের মনস্তত্ত্বকে সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তৈরি করা হয় বাণিজ্যিকরণের চাহিদা ও ফাঁদ। যেখানে লাভই মূল লক্ষ্য, সেখানে নারীর মর্যাদা ও ব্যক্তিসত্তা ক্রমেই আড়ালে পড়ে যায়।

গর্দভ

  সুবিধাবাদীদের বিএনপি প্রীতি বেড়ে যাচ্ছে ১০৮° স্ফুটনাঙ্কের মতো যা খালোদা জিয়া থেকে জায়মা রহমান পর্যন্ত পৌঁছেছে, যার মাধ্যমে ফেমিলিয়াল ডায়নেস্টি পলিটিক্সের গলনাংকে গলবে আবার দেশ যেমন গলেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সময়। আবার তথাকথিত জুলাই বিপ্লবের মতো পরবর্তী বিপ্লব এসে ভণ্ড বাঙালির দেশপ্রেম লাভার স্ফুটনাংকের মাত্রাকে ছাড়াবে আর পুঁথিগথ গর্দভ কুলাঙ্গার বুদ্ধিজীবীদের রিসার্চ পেপারে ভরে যাবে একাডেমিয়া,রিসার্চ গেট আর প্রিডেটরি জার্নালগুলোর রমরমা বিজনেস আর এভাবেই এগুতে থাকবে গর্দভ কুলাঙ্গার বাঙালি।

বৈশ্বিক কাঠামো

 বৈশ্বিক কাঠামো পশ্চিমা পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে বন্দি। দেশীয় বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ ও স্কলাররা কি সত্যিই এ কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মেধা রাখে, নাকি তারা শুধু পশ্চিমা কাঠামোর মিমিক্রি করছেন—সময়ই দেখাবে। ব্রেন ড্রেইন ঘটছে। দেশীয় মেধাবীরা পশ্চিমা শিক্ষার প্রতি অন্ধভাবে মিমিক্রি করে সমালোচনামূলক ও সৃজনশীল শক্তি দেশে রাখছে না। বিশেষত বিদেশে কর্মরত স্কলাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় পশ্চিমা শিক্ষাব্যবস্থা ও AI টুলস প্রমোট করে। এতে দেশীয় ছাত্রদের “পশ্চিমা টান” তৈরি হয়, এবং তারা পশ্চিমাদের পুঁজির মূলধন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অদৃশ্য অর্থনৈতিক নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। যেখানে মিমিক্রি, সেখানে মেধা বায়বীয় অবস্থায় থাকে। স্বকীয়তা ও স্বজাত্যবোধ না থাকলে, পশ্চিমা কাঠামোয় PhD ডিগ্রি অর্জন প্রায় মূর্খতার সমতুল্য। তাই বৈশ্বিক কাঠামোর “স্ট্রাকচারাল টিকটোনিক প্লেট” কেঁপে ওঠে না। স্বকীয়তা ও স্বজাত্যবোধের ভূমিকম্প ছাড়া পঞ্চমেরুকরণ বৈশ্বিক কাঠামো তৈরি হবে না।

আমিতে আমি ডুবে থাকার

  আমিতে আমি ডুবে থাকার পৃথিবীর সবটুকু দিয়ে নিজেকে ভালোবাসি, এতটাই বেসেছি যে মোহ নিজেকে নিয়ে আর কাটছে না। চাই নিজের প্রতি মোহ থাক চিরকাল, আমাকে আমার মতো করে খুব ভালোবাসি। এই আত্মপ্রেমে জ্বলে জ্বালাবো পৃথিবী, জ্বালাবো এই মহাসাগর— পাড়ি দেব অসীম আলোকবর্ষ, গ্রহ হতে গ্রহান্তরে, অসীম আলোকবর্ষে। মহাকালের স্রোতে নিজে স্নাত হব, মহাকালের ঝর্ণাধারার জলরাশি হয়ে, নিজেকে স্নাত করব মহাকালের বারীর বিশুদ্ধতায়। আর শুনব মহাকালের উদাত্ত আহ্বান— আমিতে আমি ডুবে থাকার।

টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল, সেম্পল সাইজ ও গবেষণার নৈতিকতা

  টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল, সেম্পল সাইজ ও গবেষণার নৈতিকতা ডাটা কালেকশন নির্ভর করে টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল এর উপর। আপনার টার্গেটট গ্রুপ অব পিপল কে সেটা যথাযথভাবে সিলেক্ট করে আপনার ডাটা কালেকশন প্রসেস শুরু করতে হবে। তবে সেম্পল ১০০ থেকে ১৫০ এর মধ্যে নূন্যতম রাখতে হবে নয়তো রিসার্চের রেজাল্ট গ্রহণযোগ্যতা হারাতে পারে ফলে গবেষণার ভেলেডিটি ও রিলাইএবিলিটি বজায় রাখা কঠিন হতে পারে। যাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র একটি পেপার লেখা তারা সেম্পল সাইজ ২০ থেকে ২৫ জনের উপর করে গবেষণায় সিদ্ধান্তে এসে পড়েন যা গবেষণা ও গবেষণাপত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ কর সেখানে গবেষণার বৈধতা ও নির্ভরতা গ্রহণযোগ্যতা হারায় যাকে রিসার্চ বলা যায় না। আপনি রিসার্চের মেথডোলজি ও রিসার্চ এথিকস এর বাইরে যেয়ে প্রিডেটরি জার্নালে পেপার পাবলিশ করে রিসার্চের নৈতিকতা ভঙ্গ করতে পারেন না। আমেরিকা অনেক কোয়ানটিটেটিভ রিসার্চ করে সেম্পল সাইজ ১০০-১৫০ এর মধ্যে যা পুরো পোপোলেশন কে প্রতিনিধিত্ব করে না। ছোট সেম্পল সাইজ দিয়ে কখনো পুরো পপুলেশন কে কভার করাও গবেষণার ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অনেক সময় দেখা যায় টার্গেটেট গ্রুপ অব পিপল খুবই সেনসেটিভ হওয়ায় ডাটা কালেকশন...