Posts

মৌলিক চিন্তা

 নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, টমাস আলফা এডিসন,স্টিভ জবস তাঁদের সৃষ্টিকর্ম ও আবিষ্কার আজ পোস্টডক্টরাল গবেষণার বিষয়, অথচ তাঁরা নিজেরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন সম্পূর্ণ করতে পারেননি!!! মৌলিক চেতনা থেকেই প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানের কাঠামো গড়ে ওঠে; আর সেই কাঠামোকেই ভিত্তি করে গড়ে ওঠে ডিগ্রি অর্জনের প্রতিযোগিতা ও বৈশ্বিক শিক্ষাবাণিজ্যের বিস্তার। ©

থিওলজি ও সায়েন্স

  থিওলজি ও সায়েন্স একে অপরের সংঘর্ষমূলক নয়; বরং তারা একে অপরকে পরিপূরক করতে পারে, কারণ ধর্মতত্ত্ব জীবনের অর্থ ও নৈতিক দিক দেয়, আর বিজ্ঞান বাস্তবতার তথ্য ও প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে। অন্যদিকে, এথেইজম ও স্যাকুলারিজম ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যদিও সায়েন্সের সঙ্গে তারা সরাসরি বিরোধে নেই। প্রাগমেটিজম ধর্মীয় বা বিজ্ঞানভিত্তিক দাবিকে কার্যকারিতা ও ফলাফলের দিক থেকে বিচার করে, তাই এটি কোনো ধর্ম বা বিজ্ঞানকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে না। ডার্ক ম্যাটার, ব্ল্যাক হোল এবং ওয়ার্মহোলের বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্যগুলি ধর্ম বা atheistic দর্শনের সঙ্গে সরাসরি বিরোধ সৃষ্টি করে না, তবে এই তত্ত্বগুলি আমাদের দার্শনিক ও বিশ্বদর্শনগত বোঝাপড়াকে সমৃদ্ধ করতে পারে।

মিডিয়া

 মিডিয়া আজ নারীর সৌন্দর্য, মেধা ও সৃজনশীলতাকে ক্ষমতায়নের নামে প্রচার করলেও বাস্তবে অনেক সময় সেটাই নারীর বাণিজ্যিক শোষণের হাতিয়ার হয়ে ওঠে। একদিকে নারীর দেহ ও প্রতিভাকে পণ্যে পরিণত করা হয়, অন্যদিকে দর্শকদের মনস্তত্ত্বকে সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তৈরি করা হয় বাণিজ্যিকরণের চাহিদা ও ফাঁদ। যেখানে লাভই মূল লক্ষ্য, সেখানে নারীর মর্যাদা ও ব্যক্তিসত্তা ক্রমেই আড়ালে পড়ে যায়।

গর্দভ

  সুবিধাবাদীদের বিএনপি প্রীতি বেড়ে যাচ্ছে ১০৮° স্ফুটনাঙ্কের মতো যা খালোদা জিয়া থেকে জায়মা রহমান পর্যন্ত পৌঁছেছে, যার মাধ্যমে ফেমিলিয়াল ডায়নেস্টি পলিটিক্সের গলনাংকে গলবে আবার দেশ যেমন গলেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী সময়। আবার তথাকথিত জুলাই বিপ্লবের মতো পরবর্তী বিপ্লব এসে ভণ্ড বাঙালির দেশপ্রেম লাভার স্ফুটনাংকের মাত্রাকে ছাড়াবে আর পুঁথিগথ গর্দভ কুলাঙ্গার বুদ্ধিজীবীদের রিসার্চ পেপারে ভরে যাবে একাডেমিয়া,রিসার্চ গেট আর প্রিডেটরি জার্নালগুলোর রমরমা বিজনেস আর এভাবেই এগুতে থাকবে গর্দভ কুলাঙ্গার বাঙালি।

বৈশ্বিক কাঠামো

 বৈশ্বিক কাঠামো পশ্চিমা পুঁজিবাদীদের নিয়ন্ত্রণে বন্দি। দেশীয় বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ ও স্কলাররা কি সত্যিই এ কাঠামোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মেধা রাখে, নাকি তারা শুধু পশ্চিমা কাঠামোর মিমিক্রি করছেন—সময়ই দেখাবে। ব্রেন ড্রেইন ঘটছে। দেশীয় মেধাবীরা পশ্চিমা শিক্ষার প্রতি অন্ধভাবে মিমিক্রি করে সমালোচনামূলক ও সৃজনশীল শক্তি দেশে রাখছে না। বিশেষত বিদেশে কর্মরত স্কলাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় পশ্চিমা শিক্ষাব্যবস্থা ও AI টুলস প্রমোট করে। এতে দেশীয় ছাত্রদের “পশ্চিমা টান” তৈরি হয়, এবং তারা পশ্চিমাদের পুঁজির মূলধন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অদৃশ্য অর্থনৈতিক নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। যেখানে মিমিক্রি, সেখানে মেধা বায়বীয় অবস্থায় থাকে। স্বকীয়তা ও স্বজাত্যবোধ না থাকলে, পশ্চিমা কাঠামোয় PhD ডিগ্রি অর্জন প্রায় মূর্খতার সমতুল্য। তাই বৈশ্বিক কাঠামোর “স্ট্রাকচারাল টিকটোনিক প্লেট” কেঁপে ওঠে না। স্বকীয়তা ও স্বজাত্যবোধের ভূমিকম্প ছাড়া পঞ্চমেরুকরণ বৈশ্বিক কাঠামো তৈরি হবে না।